দশমিনায় টিউবওয়েল স্থাপনের সময় দুই শ্রমিক মৃত্যু, চার আহত
দশম ন য় ট উবওয় ল বস – পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের গুলি আউলিয়াপুর গ্রামে শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ৫টার দিকে টিউবওয়েল বসানোর কাজের সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং চারজন আহত হয়েছেন।
তথ্য সমূহ
দুই নিহত হলেন আলীপুর ইউনিয়নের খলিসাখালী গ্রামের আলী প্যাদার ছেলে মো. বেল্লাল প্যাদা (৪০) এবং ঢাকার কদমতলী থানার মুজাহিদনগর এলাকার বেল্লাল হোসেনের ছেলে মো. ইউসুফ (৩০)। আহত ব্যক্তিরা হলেন খলিসাখালী গ্রামের রিপন প্যাদার ছেলে সিফাত (১৯), পূর্ব আলীপুর গ্রামের মোক্তারের ছেলে রনি (১৮), জাহাঙ্গীর প্যাদার ছেলে রাকিব (১৯) এবং রনগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্ণি গ্রামের মোক্তার প্যাদার ছেলে মারুফ (২০)।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাজের সময় ছয় জন শ্রমিক টিউবওয়েলের পাইপটি তুলছিলেন। সেই সময় পাইপের নিচের অংশ হঠাৎ স্লিপ করে বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে যায়। ফলে ছয় জন বিদ্যুতায়িত হয়ে কয়েকজন মাটিতে পড়ে আছেন।
উদ্ধার এবং চিকিৎসা
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছয় জন কর্মচারী জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে দুই জন হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু ঘটে। আহত চার জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল।
বাড়ির মালিক শানু হাওলাদার বলেন, ‘বিকেলে বেল্লাল কন্ট্রাক্টর আমার বাড়িতে টিউবওয়েল বসানোর কাজে আসেন। আমি তাঁদের সতর্ক করে বলেছিলাম যে পাশে বিদ্যুতের লাইন রয়েছে। কিন্তু কাজের সময় পাইপ বিদ্যুতের তারে স্পর্শ করলে দুর্ঘটনাটি ঘটে।’
নিহত বেল্লাল প্যাদার বাবা আলী প্যাদা বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা। আমাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের আবেদন জানিয়েছি।’
নিহত ইউসুফের স্ত্রী নুপুর বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে টিউবওয়েল বসানোর কাজ করতেন। দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আমাদেরও কোনো অভিযোগ নেই। ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ পাওয়ার আবেদন করেছি।’
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে যায়। নিহত দুই ব্যক্তির মরদেহ থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। স্বজনেরা ময়নাতদন্তে আপত্তি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্�
