পাথরঘাটায় রিকশাচালককে হত্যার অভিযোগ: জমি বিরোধের তীব্র পরিস্থিতি
জম ন য ব র ধ র – বরগুনার পাথরঘাটা এলাকায় জমি বিরোধের জেরে রিকশাচালক মিজানুর রহমান (৪০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে। তিনি সফেজ উদ্দিনের ছেলে হিসেবে পরিচিত ছিলেন। রাতে তাঁর বাসার সামনে রিকশা চার্জ করে ঘরে ফেরেন। পরিবারের সদস্যরা রাত ১১টার দিকে তাঁকে রাত্রিতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন খাবার খাওয়ার পর। কে কোন সময়ে তাঁকে ঘর থেকে বের করেছিল তা পরিবারের কেউ জানতে পারেনি।
বিরোধের সম্পূর্ণ পটভূমি
রিকশাচালক মিজানুর রহমানের জমি বিরোধ দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। তাঁদের প্রতিপক্ষ কয়েক মাস ধরে ঘরে আগুন দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছিল। নিহতের বড় ভাই শাহজাহান মিয়া জানান, জমি বিরোধের ফলে পরিবারের সাথে শত্রুতা গড়ে উঠেছিল। তাঁর ধারণা, বিরোধ থেকে বের হওয়ার চেষ্টায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ খুঁজতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ঘটনার তদন্ত ও মৃতদেহের পরিস্থিতি
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনাম জানান, হত্যার ঘটনা ঘটেছে কিছুক্ষণ আগে। মৃতদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং কার্যত সম্পূর্ণ হত্যার রহস্য খুঁজছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেয়া পর্যন্ত ঘটনার তদন্ত সম্পূর্ণ হবে না।
স্থানীয়দের মতে জমি বিরোধের জেরে ঘটনা ঘটেছে। বাসার সামনে রিকশা চার্জ করে তাঁর সাথে ঘটনার ঘটনার আগে বিবাদ চলছিল। সেই বিরোধের পরিণতি হিসেবে নিহতের মৃত্যু ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।
সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও স্থানীয় পরিস্থিতি
অনেকে বলছেন জমি বিরোধের সামাজিক প্রতিক্রিয়া ঘটনার স্বাভাবিক কারণ। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার পর রাতে খবর পেয়ে মৃতদেহ দেখতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা চারপাশে গুম হয়ে যান সকালে খবর পেয়ে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে কিন্তু সম্পূর্ণ ফলাফল আসেনি।
নিহতের স্ত্রী পারভীন আক্তার জানান যে তাঁরা কোন বিষয়ে সংশয় করছেন না। জমি বিরোধের ফলে বিপদের প্রতি কোন আশঙ্কা ছিল না। তবে তাঁরা জানতে চান কে কোন সময়ে মিজানুর রহমানকে হত্যা করেছে। সামাজিক তাণ্ডব সম্পন্ন হত্যার ঘটনায় এখন কেউ কেউ মনে করেন এটি আঘাত প্রাপ্ত বাসিন্দার একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা।
পুলিশ ঘটনার পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ
