Education

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

কচুয়া উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবন প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছে

শ ক ষ ব যবস থ ক – চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত স্টার্টআপ ও উদ্ভাবন ধারণা প্রদর্শনীতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিশ্বের সাথে যুক্ত করে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিতে কাজ চলছে। প্রতিযোগিতার পর বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান পাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বিদের জন্য সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদ প্রদান করা হয়।

শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

আজ শুক্রবার দুপুরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালনায় সম্পন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার গুরুত্ব অনুসরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মানদণ্ডে উন্নীত করার জন্য বর্তমান বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত শিক্ষাব্যবস্থা মুখস্থনির্ভর ছিল, কিন্তু বর্তমানে এটি ইনোভেশন, স্টার্টআপ এবং প্রজেক্টভিত্তিক গড়ে উঠেছে। এ প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু নাছির, কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাওকাত হোসেন সুমন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশরাফ, কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম আকাশ এবং অন্যান্য শিক্ষক, সুধী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

প্রদর্শনীতে কচুয়া উপজেলার মোট ২৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিল ৬টি কলেজ। শিক্ষার্থীদের প্রজেক্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি সংশ্লিষ্ট হয়েছে মোট ২৯টি উদ্ভাবনী চিন্তা।

প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ পুরস্কার পায় কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থান রহিমানগর বিএবি উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য ঘোষণা করা হয়। প্রতিযোগিতার তৃতীয় স্থান লাভ করে গুলবাহার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

Leave a Comment