স খবর ক আছ ক ন: বাজেট এবং বিশ্বকাপের জন্য আসন্ন একটি বড় সময় আসছে
স খবর ক আছ ক ন এখন সর্বাধিক আগ্রহের সাথে আলোচিত হচ্ছে। এই সময়ে বিশ্বকাপের উত্তেজনা কতটা সৌরভ ছড়াবে তা আনুমান করা কঠিন। রাশিয়া-ইউক্রেন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের সৃষ্টি করা প্রভাব বিশ্বকাপের উপর কতটা বৃদ্ধি পাবে সেটা পূর্ববর্তী সময়ে বলা যাবে না। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বাস্কেট বল বা লন টেনিস নিয়ে যতটা আগ্রহ দেখায়, ফুটবল নিয়ে তারা আরো বেশি উৎসুক। কিন্তু বিশ্বকাপের আয়োজনে অন্যতম অনুমোদক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বাজেট পরিবর্তন সম্পর্কে বিবেচনা করতে হবে
বর্তমানে সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি দেয়ার কোনো ভাবনা পূর্বপর্যন্ত দেখা যায়নি। সোনার দাম কমলে মানুষের উপকার হয় না, বরং নিত্যপণ্যের দাম বন্ধ রাখা সেই স্বস্তি দেয়। বিজ্ঞজনদের আলোচনায় সেটাও নিশ্চয়ই দেখব। স খবর ক আছ ক ন নিয়ে বিশেষ আলোচনা চলছে, যার মধ্যে স্থায়ী সমাধান সন্ধানে আগ্রহ রয়েছে।
তৃণমূল বিএনপির নেতারা কেন্দ্রীয় নির্দেশ অমান্য করেছে
দেশের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের নেতা ও কর্মীদের যে ক্ষমতার প্রকাশ ঘটিয়েছে, তা সদ্য ক্ষমতায় আসা দলের জন্য সংকেত দিয়েছে। আইনবহির্ভূত ক্ষমতার প্রকাশ সহ্য করতে পারে জনগণ কত দিন তা সময় নির্ণয় করবে। কিন্তু এখন যে এক সরকার যায় আরেক সরকার আসে কিন্তু দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি পরিবর্তন হয় না। রাজনৈতিক সংস্কৃতির মান দিনের পর দিন নিম্নমুখী হয়ে চলেছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কোনো সামগ্রিক পরিবর্তন বুঝায় না
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো যে কত বড় কথা বলে থাকে, কিন্তু কোনো দল শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে চায় না। আদালতের বিচারকদের বদলি ও পদোন্নতির সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সম্পর্ক ছিল তখন তাঁদের মনস্তত্ত্ব কী হতে পারে তা বুঝায় না।
স খবর ক আছ ক ন এখন আলোচনার সাথে সংযুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষয়টি। সাধারণ মানুষ এখন খবরের কাগজ বা টেলিভিশনের খবর অপেক্ষা করে না। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খবরকে বিশ্বাস করে। যেহেতু তথ্য যাচাই করার সময় ও কনটেন্ট উপলব্ধ নয়, তাই মিথ্যার ছড়াছড়ি সত্য বলে বিশ্বাস করে।
ইউনূস আমলের কিচেন ক্যাবিনেট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে
বর্তমান সরকার ইউনূস আমলের বিভিন
