অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়েছে, শ্রমিকদের সমস্যা দেখা দিয়েছে
বন ধ হয় গ ল অল ম – বরিশালের রূপাতলীতে অবস্থিত অলিম্পিক সিমেন্ট লিমিটেড কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেলো। গত বুধবার সিদ্ধান্ত জানানো হয় এবং শ্রমিক ইউনিয়নকে চিঠি পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি প্রকাশ পেলে শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ উঠেছে। কারখানাটি এক মাস ধরে বন্ধ ছিল।
ব্যবসায়িক ক্ষতি, কাঁচামালের সংকট এবং ডলার-এলসি ব্যবস্থার সমস্যার কারণে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, কারখানা ১৩ জুন থেকে স্থায়ীভাবে চালু হবে না। আইনের ধারা ২৬ ও ২৮ অনুযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে ছাঁটাই করার ঘোষণা করা হয়েছে।
বাজারে অ্যাংকর সিমেন্ট হিসেবে পরিচিত কারখানা
রূপাতলীতে কীর্তনখোলার তীরে অবস্থিত কারখানাটি বাজারে অ্যাংকর সিমেন্ট নামে পরিচিত। বরিশালে বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এটি ছিল একমাত্র সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। সেখানে তিন শতাধিক শ্রমিক এবং কর্মচারীর কর্মসংস্থান ছিল।
অলিম্পিক সিমেন্ট কোম্পানি বরিশালের অন্যতম ব্যবসায়ী পরিবার খান সন্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। কারখানার পুনরায় চালু করার দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছে বাসদ নেত্রী মনীষা চক্রবর্তী। তিনি আজ বলেন,
“বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি, অলিম্পিক সিমেন্ট কারখানা বিক্রি হতে যাচ্ছে। দেশের একটি বড় সিমেন্ট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এটির ক্রেতা। উপযুক্ত পাওনা বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত শ্রমিকেরা আগামীকাল শুক্রবার থেকে কারখানার সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন।”
অলিম্পিক সিমেন্ট কোম্পানির দায়িত্বশীলদের কেউ বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
