চৌদ্দগ্রামে ছুরিকাঘাতে সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু
চ দ দগ র ম ছ র – চৌদ্দগ্রামে ছুরিকাঘাতে সিএনজি অটোচালক মো. হৃদয় (১৯) নামক এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ধোড়করা ইউনিয়নের ধোড়করা বাজারে বুধবার রাতে ঘটে। এতে হত্যা করা হয়েছে হৃদয় নামের তরুণ সিএনজি অটোচালককে, যিনি শাকতলা গ্রামের হেদায়েতুল্লার ছেলে। ঘটনার পর হৃদয়ের পরিবার বিষণ্ণ হয়ে পড়েছে এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ আন্দোলন জাগে।
অপরাহ্নে ঘটনার আগে কথা-কাটাকাটি
রবিবার সন্ধ্যার দিকে ঘটনার আগে হৃদয় ওয়াসিমের গ্যারেজে সিএনজি অটো রাখার জন্য প্রবেশ করেন। এখানে তিনি ধোড়করা বাজারে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সাথে কথা বলছিলেন। কথার মধ্যে কিশোর গ্যাং লিডার রাজিবের নেতৃত্বে রাফিক ও ফানসি নামের দুই সদস্য তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এর আগে পূর্ব পাশে ঘোষতল গ্রামে কিশোর দুই জন রাস্তার মাঝে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় কথা-কাটাকাটি ঘটে। যদিও ঘটনার সময় তাঁদের এলোপাতাড়ি বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
হৃদয় কিশোর গ্যাং সদস্যদের সাথে বিতর্কে জড়িত ছিলেন এবং চৌদ্দগ্রামে ছুরিকাঘাতে সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে যে কার্যত ধারালো অস্ত্র দিয়ে হৃদয় কে আঘাত করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসার সময় ধারণা করা হচ্ছে যে আঘাতগুলো গুরুতর ছিল।
নিহত হৃদয়ের ভাই ফারুক হোসেন জানান, “আমি ভাই হৃদয় কে সিএনজি অটো চালানো শিখিয়েছিলাম। কিশোর গ্যাং সদস্যদের নেতৃত্ব দিচ্ছে রাজিব। ঘটনার আগে কিশোরদের সাথে আমার ভাই ছুরি মেরেছিলেন কিন্তু কারণ খুঁজতে হৃদয় নামের সিএনজি অটোচালককে মারা হয়েছে।”
মৃত্যুর পর পরিবার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া
হৃদয় কে মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার বিষণ্ণ হয়ে পড়েছে। সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু ঘটে চৌদ্দগ্রামে ছুরিকাঘাতে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের কাছে তাঁর প্রতি আক্রমণ বাড়ানোর কারণে এটি ঘটেছে। স্থানীয় বাসিনদের মতে হৃদয় কে হত্যা করার ঘটনা প্রায় নিয়মিত ঘটে থাকে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আকিব মাহমুদ মাহি বলেন, “হৃদয় কে রাত সাড়ে ৯টায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আঘাতের চিহ্ন দেখে বুকের ডান পাশে গভীর ছুরিকাঘাতের ধারণা হয়। সিএনজি অটোচালকের মৃত্যু ঘটে চৌদ্দগ্রামে ছুরিকাঘাতে ত
