স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইসলামী ব্যাংক এবং জামায়াতে ইসলামী ইসলামের নামে নয়
ফখর ল ইসল ম য মন ইসল – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে বিরোধীদলের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে বিদেশে টাকা পাচারের অভিযোগ তুলে এস আলম গ্রুপের মালিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হোক। সংসদের স্পিকারকে স্পর্শ করে তিনি বলেন, অনিয়মগুলো ইসলামের নামে হয়েছে বলে মনে হয়।
টাকা পাচারের তদন্তের দাবি
তিনি দাবি করেন যে এখন বিরোধী দলের নেতারা বলছেন–‘আমরা ব্যাংকের মালিক না। জামায়াতে ইসলামী ব্যাংকের মালিক না।’ কিন্তু আমরা দাবি করছি সমস্ত অর্থ পাচারের তদন্ত করা হোক। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে করা হোক।
‘যেহেতু দাবি উঠেছে এস আলম গ্রুপের লক্ষ-কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ, আমরা দাবি করছি—সমস্ত অর্থ পাচারের তদন্ত করা হোক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নেতৃত্বে করা হোক।’
আরডিএস প্রকল্প এবং নির্বাচনী অনিয়ম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্র দপ্তর দ্বারা পরিচালিত আরডিএস প্রকল্প ইসলামী ব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আগে মোট ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগে দেওয়া হয়েছিল ১১ হাজার কোটি টাকা।
‘ভোটের সময় আমাদের কর্মী বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন–‘মা আপনি কোথায় দিলেন?’ বলছে যে বাবা বলছে কোরআনের দল, না দিলে জান্নাতে যাওয়া যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের তাকবির দিয়ে দখল করার পর চাকরিচ্যুত করা হয়েছে ৯ হাজার কর্মী। সাথে তিনি জানান যে হেড অফিসের অনুমোদন ছাড়া ৪০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে একটি গ্রুপকে।
ব্যাংকের দায়িত্ব এবং ক্ষমতার প্রশ্ন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইসলামী ব্যাংকের লাইবিলিটি ১৬ হাজার কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে তদন্ত হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রসঙ্গে অভিযোগ আসার পর তদন্ত হবে।
