National

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়েছে আপিল বিভাগের নির্দেশে

স প র ম ক র ট – আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন, যেখানে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আপিল বিভাগের আদেশে নির্দেশ না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের রায় চলমান থাকবে। সেই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানীর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে পরবর্তী দিন হিসেবে।

২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের দশটি আইনজীবী রিট করেছিলেন সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে। আবেদনে বলা হয়েছিল, অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি ও বদলি করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে নিয়ে গিয়েছে সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদ। এতে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব বহাল রাখা হয়েছে।

বিচার বিভাগ পৃথককরণ আইনের ইতিহাস

১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের দায়িত্বে ছিল। সেই বিষয়টি সংশোধিত করা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে চতুর্থ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে ২০০১ সালে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় গঠনের জন্য খসড়া আইন তৈরি করা হয়। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের আগে সাত আইনজীবীর রিট পরিপ্রেক্ষিতে অনুমোদন না পেলে কাজ অসম্পূর্ণ থাকে।

“২০০১ সালের ১ অক্টোবর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় অনুমোদন শেষে বিচার বিভাগ পৃথককরণের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া প্রধান উপদেষ্টাকে টেলিফোন করে বলেন, বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার বিষয়টি তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে।”

২০২৫ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যার ফলে সেই সচিবালয়ের কার্যালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। এ কার্যক্রম বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্পন্ন হয়। আপিল বিভাগের নির্দেশে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য স্বাধীন সচিবালয় গঠন করতে হবে।

১৯৯৪ সালে জেলা জজ ও জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন বিচার বিভাগ স্বাধীন করতে রিট করেন। হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে রায় দে

Leave a Comment