ওয়ারিশদের সম্পত্তি আত্মসাৎ: ভাইয়ের মামলায় তুরিন আফরোজ গ্রেপ্তার
ওয় র শদ র সম পত ত – অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন সোমবার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন। আদালতে তাঁকে কারাগার থেকে হাজির করা হয়, পরে তাঁকে আবার কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এই ঘটনায় বাদীপক্ষের আইনজীবী কফিল মাহমুদ রায়হান জানান, বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের আবেদনে তুরিন আফরোজ গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মামলায় অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০২ থেকে শামসুন্নাহার বেগম এবং তাঁর ছেলে শিশির আহমেদ শাহনেওয়াজ উত্তরার রেসিডেনসিয়াল মডেল টাউনের ১১ নম্বর রোডের ৩ সেক্টরের ১৫ নম্বর প্লটে বসবাস করেছিলেন। কিন্তু বাদীর বাবার মৃত্যুর পর তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের ওই বাড়ি থেকে বের করে দেন।
বাদী শাহ নেওয়াজ আহাম্মদের অভিযোগ অনুযায়ী, তুরিন আফরোজ জালিয়াতির মাধ্যমে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পৈতৃক সম্পত্তি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
মামলার নথিপত্র ও অভিযোগ অনুযায়ী, তুরিন আফরোজ প্রভাব খাটিয়ে মা ও ভাইকে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও দলিলপত্র নিয়ে যান। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তুরিন আফরোজ বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন, যেন তাঁদের নিরাপত্তাহীনতায় রাখা যায়।
ভাইয়ের বিরুদ্ধে তুরিন আফরোজ একটি ফৌজদারি মামলাও দায়ের করেছিলেন। মামলাটি হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। তদন্ত শেষে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাত ১০টার দিকে উত্তরা ৩ সেক্টরের ১১ নম্বর রোডে অভিযান চালিয়ে তুরিন আফরোজকে আটক করা হয়।
পরে বৈষম্যবিরোধী বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁকে কয়েক দফা রিমান্ডেও নেওয়া হয়। এই মামলায় আওয়ামী লীগ আমলের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
