কক্সবাজারে শ্মশান দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষ, বিপাকে রাখাইন সম্প্রদায়
বিপাকে পড়েছে ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও সমাধি সংরক্ষণ
কক সব জ র শ মশ ন – কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নে রাখাইন সম্প্রদায়ের অন্তত ২০০ বছরের পূর্বীয় শ্মশানভূমির বেশি তিন একর জমি দখল করে লবণ ও চিংড়ি চাষের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী পরিবার বারবার যুগ পর যুগ ধরে শ্মশানের প্রায় চার একর স্থান দখল করে আসছে। এতে মরদেহ সৎকার ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য বিপাক তৈরি হয়েছে।
সাগর উপকূলের চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ রাখাইনপাড়ায় প্রায় ৮০০ পরিবার বসবাস করে। পাশাপাশি দুটি প্রাচীন শ্মশান এলাকার সাথে যুক্ত হয়েছে বেড়িবাঁধের নিকট। তারা বলেন, শ্মশানটি পূর্বপুরুষদের চিরনিদ্রার স্থান। এখানে সমাধি থেকে হাজারো মরদেহ সংরক্ষণের জন্য লবণ চাষ করা হচ্ছে।
“এই শ্মশান আমাদের পূর্বপুরুষদের চিরনিদ্রার স্থান। এখানে সমাধি থেকে হাজারো মরদেহ সংরক্ষণের জন্য লবণ চাষ করা হচ্ছে।” – উত্তরপাড়া শ্মশান পরিচালনা কমিটির সভাপতি উথোইচিং রাখাইন
বিষয়টি প্রতিকারের দাবি ও বিপাকে পড়া পরিস্থিতি
গত বৃহস্পতিবার থেকে গ্রামের নারী-পুরুষ মিলে শ্মশানের উন্নয়নের কাজ শুরু করেছেন। কিন্তু দখলদারদের পক্ষ থেকে দফায় দফায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতা কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু গত মঙ্গলবার শ্মশান দখলমুক্ত করতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানান। তিনি বলেন, “এটি শুধু একটি জমির বিষয় নয়, এটি একটি সম্প্রদায়ের ইতিহাস ও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়।”
স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে ফজলুল হক মিন্টু, তাঁর ভাই লাল মিয়া লালু ও এয়ার খান প্রভৃতি ক্ষেত্রে জমির বন্দোবস্ত রয়েছে। কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। গতকাল রোববার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, শ্মশান ভূমি ছাড়া এলাকায় খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কাটার কাজ চলছে।
“দখলদারেরা এলাকায় প্রভাবশালী। শ্মশান উন্নয়নে তারা দফায় দফায় বাধা দিচ্ছে। আমরাও পালাক্রমে পাহারা দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। তবে খুব ভয়ের মধ্যে আছি।” – উত্তর রাখাইনপাড়ার খিং হ্লা রাখাইন (৪০)
সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও সামাজিক সংকট
রাখাইন সম্প্রদায়ের নেতা ও অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক উথোইন য
