Bangladesh

বাবার আক্ষেপ: আইসিইউ থাকলে হয়তো বাঁচত ছেলেটা

বাবার আক্ষেপ: আইসিইউ থাকলে হয়তো বাঁচত ছেলেটা

ব ব র আক ষ প – ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছেলেটি গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত্যুর পর দেড় মাস ব্যাপী জীবন সংগ্রামে হার মানে। তাঁদের দাবি, পিআইসিউ ব্যবস্থা থাকলে অনেক শিশুর প্রাণ রক্ষা হত।

রাফসানের স্বজন বলেন, ছেলেটি আয়ারের বাবা-মায়ের নাম পারভেজ মোশাররফ ও রুপা আক্তার। দুই বছরের মধ্যে তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে অবিরাম ছুটেছেন ছেলেটিকে সুস্থ করতে। পারভেজ পেশায় চায়ের দোকানি। তিনি বলেন, গত মাসে রাফসান জ্বর থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তখন তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঁচ দিন ভর্তি রাখা হয়।

‘ছেলেকে বাঁচাতে চেষ্টার কম করি নাই। আক্ষেপ শুধু একটাই, ময়মনসিংহ মেডিকেলে আইসিইউ থাকলে হয়তো আমার ছেলে বেঁচে থাকত,’ বলেন রাফসানের বাবা পারভেজ মোশাররফ।

গতকাল সকালে হাসপাতালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২৪ শিশু। ছুটি নিয়ে বাড়ি গেছে ১৭ শিশু। মোট ভর্তি হয়েছে ১০২ শিশু।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. মাজহারুল আমীন বলেন, ‘অনেক শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম। বিশেষ করে তারাই মারা যাচ্ছে। যে কয়েকটি শিশু মারা গেছে, তারা আইসিইউ উপযোগী ছিল। হয়তো আইসিইউ থাকলে অনেকে বেঁচে থাকত।’

‘এই সময়ে আইসিইউর খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। তাহলে হয়তো এত শিশুর মৃত্যু না-ও হতে পারত,’ বলেন শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহা. গোলাম মাওলা।

গত দুই মাসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গে ৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রাফসান আয়ারের গাজীপুরের শ্রীপুরের গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ির বাসিন্দা। তিনি আরও বলেন, রাফসানকে গত ২৬ এপ্রিল হামের টিকা দেওয়া হয়। পরে জ্বর হলে তাকে মাওনা আল হেরা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দুই দিন রাখার পর তাকে বাড়িতে নেওয়া হয়। বাড়ি যাওয

Leave a Comment