Bangladesh

এসি লাগানোর সময় ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে মধ্যবয়সীর মৃত্যু

ষষ্ঠ তলা থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে একজন মধ্যবয়সী ব্যক্তির জন্য এসি লাগানোর সময়

এস ল গ ন র সময় ষষ – রাজধানী ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল এলাকায় ঘটেছে গুরুতর দুর্ঘটনা। বাসার ষষ্ঠ তলার বাইরে এসি লাগানোর সময় শামীম হোসেন সাজু (৪৫) নামের মধ্যবয়সী ব্যক্তি নিচে পড়ে মৃত্যুবরণ করেন। ঘটনাটি আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটে। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এসি লাগানোর সময় ঘটে এমন ঘটনা বাংলাদেশের মধ্যবয়সী শ্রমিকদের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এবং প্রতিষ্ঠানগুলি এসি লাগানোর প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তি ব্যবস্থা আরও খাটানোর প্রকল্প আগ্রহ দেখাচ্ছে।

ঘটনার পটভূমি ও পরিস্থিতি

নিহত শামীম হোসেন সাজু ছিলেন পুরানো পল্টনের নিউ কনফিডেন্স রেফ্রিজারেশন দোকানের মালিক। তিনি বর্তমানে কেরানীগঞ্জের চুনকুঠিয়া এলাকায় বাস করতেন। তাঁর বাড়ি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় অবস্থিত। হাসপাতালে দোকানের কর্মচারী মো. মামুন জানান, সকালে সাজু এলিফ্যান্ট রোডে একটি বাসায় এসি লাগাতে যান। ছয়তলা ভবনের বাইরে এসি বসানোর সময় তাঁকে তীব্র বিপদে ফেলেছিল এসি লাগানোর সময়। তিনি দ্রুত জরুরি বিভাগে প্রেরণ করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিউমার্কেট থানায় তদন্ত চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসি লাগানোর সময় এরকম দুর্ঘটনা সাধারণত উঁচু থলে হতে পারে। এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশে প্রতি মাসে কমপক্ষে দুই ঘটনা হয়। সাজু এসি লাগানোর সময় যে কারণে পড়ে গেছেন, সে বিষয়ে পরিস্থিতি আরও খাটানো হবে।

বাসার ষষ্ঠ তলায় এসি বসানোর কাজে সাজু নিয়োগ পেয়েছিলেন। দুর্ঘটনার সময় তাঁর পাশে অন্যান্য কর্মচারী ছিলেন। তারা তাঁকে সম্ভবত অস্থায়ী আঘাত করেছিলেন। বাসার স্থানীয়রা বলেন, এসি লাগানোর সময় উপরের তলায় হালুদ বা ইঁট পড়ে গেলে তারা তুড়িতে খুব কম ধ্বনি করতেন। আর তাঁদের বলা হতো, কাজের সময় নিরাপত্তি ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।

স্থানীয় সাংবাদিকদের দৃষ্টিতে ঘটনা

এই ঘটনার পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে যে এসি লাগানোর সময় কাজের সময় স্থানীয়রা কোনও সংকটের আশংকা করতেন না। তারা বলেন, ছয়তলা ভবনে কাজ করার সময় সাধারণত হালুদ ও ইঁট বার করা হয়। কিন্তু এই দুর্ঘটনার কারণে আরও জটিল বোধ করছেন সাধারণ মানুষ।

বাংলাদেশে বাসা বাঁধার সময় এসি লাগানো একটি বেশ সাধারণ কাজ। কিন্তু উঁচু তলায় কাজ করার সময় নিরাপত্তি ব্যবস্থা অপূর্ণ থাকলে এসি লাগানোর সময় গুরুতর আহত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়। এই ধরনের ঘটনাগুলো স্থানীয় পরিস্থিতির কারণে ঘটে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলি এখন এসি লাগানো

Leave a Comment