মা হারানো শিশু হোসাইনের চিকিৎসা আটকে আছে অর্থাভাবে
ঘটনার বিবরণ
ম হ র ন শ শ হ – ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বারান্দায় উদ্বিগ্ন হয়ে আছেন আব্দুল হক। তাঁর সাত বছর বয়সী নাতি হোসাইন মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে, ফরিদপুরের ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মা আয়েশা খাতুন, নানি নূর জাহান বেগম এবং দুই মামা মো. আরিফ ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম মৃত হয়েছেন। গত সোমবার রাতে আরিফ ইসলাম মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন। তিনি হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন যশোরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর সড়কে ধাক্কা করেছিলেন একটি প্রাইভেট কারে।
চিকিৎসার দুর্দশা
হোসাইন প্রথমে যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে গ্রাহ্য করা হয়েছিল। তারপর তাকে ঢাকায় ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, তিন বছর বয়সী তাসনিয়া শঙ্কামুক্ত হলেও হোসাইনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। মাথায় গুরুতর আঘাত এবং একটি পা ভেঙে গেছে। ডান চোখে সমস্যা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।
আমার নাতির অবস্থা খুব খারাপ। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে, কিন্তু আরও উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার সামর্থ্য আমাদের নেই। ছেলেটাকে বাঁচানোর জন্য সবার সহযোগিতা চাই।
অর্থনৈতিক চাপ
হোসাইনের বাবা ইলিয়াস বলেন, ‘একদিকে স্ত্রীকে হারিয়েছি, অন্যদিকে ছেলেকে বাঁচানোর লড়াই করছি। মেয়েটা শঙ্কামুক্ত হলেও ছেলের মাথায় গুরুতর আঘাত, পা ভেঙে গেছে এবং চোখের অবস্থাও ভালো নয়। টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে পারছি না।’
ঢাকায় তার বাড়িতে পৌঁছেছে হোসাইনের দাদা ও কয়েকজন স্বজন। চিকিৎসা ও থাকা-খাওয়ার খরচ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। গত বুধবার রাতে তাকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ও বেঁচে আছে, কিন্তু চোখ খুলছে না। প্রতিদিন শুধু ওর দিকে তাকিয়ে থাকি। আল্লাহ যেন আমাদের সন্তানটাকে ফিরিয়ে দেন। আমরা শ্রমিক মানুষ, চাষাবাদ করে সংসার চালাই। এখন সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই।
ভবিষ্যতের আশঙ্কা
হোসাইনের চাচা আলমগীর হোসেন জানান, দুর্ঘটনার পর থেকে হোসাইন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তার ডান চোখের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। সময়মতো উন্নত চিকিৎসা না পেলে চোখটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবারের সদস্যরা। কণ্ঠে কান্না জড়িত হোসাইনের বড় চাচা আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের সব আশা-ভরসা হোসাইনকে �
