Lifestyle

এস্তাদিও আজতেকার গল্প

এস্তাদিও আজতেকার গল্প

এস ত দ ও আজত ক র – বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর যে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকায় শুরু হবে, তা নতুন ধারণা নয়। এটি অ্যাজটেক স্টেডিয়ামের নাম থেকে বুঝা যায় যে স্থানটি দুটি মানের সমন্বয় করেছে—আধুনিক ক্রীড়া আসর এবং প্রাচীন সভ্যতার স্মৃতি। এই স্থানে এবার বিশ্ব চূড়ান্ত ম্যাচের প্রাক্তন বিপর্যয় ঘটবে ১১ জুন।

মেক্সিকো যে দেশটি আমাদের মনে হয় আমেরিকার প্রাচীন সভ্যতার জন্মভূমি, সেটি সত্যি নয়। মূলত এখানে ওলমেক, মায়া, তেওতিহুয়াকান, তোলতেক এবং অ্যাজটেক সভ্যতার মূল আকার ছিল। সেসব সভ্যতাকে মিলিত করে একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বে বিখ্যাত প্রাচীন পিরামিড আছে। যেখানে আগে অ্যাজটেক যোদ্ধারা তাদের সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

এক জাতিগোষ্ঠীর আবেগ ও গৌরব

আজতেক স্টেডিয়ামের নামকরণে একটি ঐতিহাসিক জাতিগোষ্ঠীর গৌরব নিহিত ছিল। আগে প্রাচীন সময়ে সেখানে সম্পূর্ণ সভ্যতার মাঝে মানবসমাজের আবেগ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ঘটেছিল। স্প্যানিশ উপনিবেশের আগে মধ্য মেক্সিকো অঞ্চলে এই সভ্যতার প্রভাব ছিল সর্বাধিক।

যেখানে শত শত বছর আগে অ্যাজটেকযোদ্ধারা তাদের সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখেছিল।

বিশ্বকাপের আয়োজনের প্রস্তুতির সময়ে মেক্সিকো এর প্রয়োজন হয় আন্তর্জাতিক মানের একটি স্টেডিয়াম। এই আকাঙ্ক্ষা থেকে জন্ম নেয় এস্তাদিও আজতেকা। নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৯৬২ সালে। সেখানে আগে থেকে হাজার হাজার শ্রমিক ও প্রকৌশলী নিরলস পরিশ্রম করেছিলেন। চার বছরের মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন হয়।

১৯৬৬ সালের ২৯ মে আনুষ্ঠানিকভাবে স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করা হয়। এ স্থানটি স্প্যানিশ উপনিবেশের আগে অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের জন্য মূল্যবান। আজ তার ঐতিহাসিক চরিত্র অক্ষুণ্ম রাখা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির সাথে।

মেক্সিকো সিটিতে স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ চালু হয়েছে। ব্যাপক সংস্কারের ফলে এখন সেখানে নিরাপত্তা, উন্নত দর্শক সেবা ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো যোগ করা হয়েছে। এটি বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি পৃথক বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে।

ফুটবলের ক্যাথেড্রাল হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি

১৯৭০ সালে এখানে ব্রাজিল ইতালিকে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা জয় করে। এই ম্যাচে ফ

Leave a Comment