সাগর-রুনির ছেলে মেঘ কাজলের কার্যালয়ে গিয়ে তদন্ত চেয়েছেন
হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়ে আবেদন
উত তর দ ত প র ন – বাবা-মা হত্যার পর আট বছর বয়সে হত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি তখন বিশেষ কোনো উত্তর দেওয়া যায়নি। সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ বলেন, অনেকে জিজ্ঞেস করেছিল কী চলছে তদন্তে, তখন আমরা তার কোনো ধারণা ছিল না।
গত ৭ মে এক দম্পতি নিহত হয়েছিলেন। আট বছর পর মামলার তদন্ত অবস্থার নিয়ে তাঁর পিতা রুনির ভাই নওশের আলী রোমান ও বর্তমান আইনজীবী শিশির মনির অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের কার্যালয়ে পৌঁছেছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। সেই সময় তাঁর সাথে ছিলেন নিহত বাদী নওশের আলী রোমান এবং বর্তমান আইনজীবী শিশির মনির।
মানুষ বলে বিচার হবে না! ব্যাপারটা আমি ভালো বুঝি। আমাদের কাতারে যেসব পরিবার আসতেছে বিচারহীনতায় ভুগে, একমাত্র তারাই বুঝতে পারবে। এ ছাড়া কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।
বর্তমান তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের স্থান বদল হয়েছে। নিহত সাংবাদিকদের হত্যাকাণ্ডের পর হাইকোর্ট রব্বার দায়িত্ব থেকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলাটি দেওয়া হয়। শেরেবাংলা থানা পুলিশ চার দিন পর রহস্য উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হয়নি, তাই তদন্ত মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
আমাদের তো তারা কোনো কথাও বলে না। কী করছে, এটা জানার অধিকার আমাদের আছে। যে যার মতো আসলে দায়সারাভাবে জিনিসটা ছেড়ে দিচ্ছে। এই যে চুপচাপ থাকা, এই যে বলল নথি পুড়ে গেছে—এগুলো তো অনেক ধরনের পারসেপশন ক্রিয়েট করে। জানি না এই হতাশা থেকে কবে মুক্তি পাব।
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তদন্তের দায়িত্ব থেকে র্যাবকে সরিয়ে পিবিআইকে দেন। তারপর দুই মাসের বেশি সময় পিবিআই তদন্ত করে। কিন্তু তারাও কোনো কোনো রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেননি। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যার কারণে তদন্ত আটকা পড়েছে।
রোমান আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের টাস্কফোর্স দেড় বছর ধরে তদন্ত করছে। আগে মাসে মাসে হতো। এখন সেটা ছয় মাস করে বাড়ছে। বর্তমানে আটজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের
