স্বামীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্স-বাস মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
স ব ম র মরদ হ ন – স্বামীর মরদেহ নিয়ে যশোর ফিরতে চলমান একটি অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই ব্যক্তি মৃত হন। ঘটনার খবর নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার কুন্ডু বর্ণনা করেন যে বুধবার (৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে নড়াইল-লোহাগড়া সড়কের বাদশার গ্যারেজ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় আহত হন পাঁচজন এবং নিহত হন দুই ব্যক্তি। এ ঘটনার মধ্যে বাসে যাত্রা করছিলেন আকবর হোসেন (২৮) এবং তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫৫)। তাদের মধ্যে জাহানারা বেগম তাঁর মৃত স্বামী ইসমাইল হোসেনের লাশ নিয়ে যশোরে ফেরার পথে ছিলেন।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
দুর্ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান করেন নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার কুন্ডু। তিনি বলেন, আহত হন দুই ব্যক্তি সহ পাঁচজন ব্যক্তি। আহতদের মধ্যে প্রতিবেশী নাগরিকদের কাছে খবর দেয়া হয়। আহতদের যশোরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের স্থিতি পরিস্থিতি অনুসারে নির্ধারিত হয়। তবে দুই নিহতের জন্য নিহত হওয়ার কারণ খুঁজতে এখনও কাজ চলছে। নড়াইল সদর থানার কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ সংগ্রহ করছেন। অ্যাম্বুলেন্স ও বাস উভয়ের অবস্থা খুঁজতে প্রতিবেশী স্থানীয়দের সাহায্য নেয়া হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় সংস্থা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা প্রদান করে।
দুর্ঘটনার পরিস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া
তুলারামপুর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক কামরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার ফলে বাস ও অ্যাম্বুলেন্স উভয়ের অবস্থা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ঘটনার পর স্থানীয় সংস্থা ও চিকিৎসা সুবিধা দেয়া হয়। নড়াইল সদর থানার কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ সংগ্রহ করছেন। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার কারণ খুঁজতে কাজ চলছে। নড়াইল-লোহাগড়া সড়কে আগে থেকে চালনার সময় আহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্বামীর মরদেহ নিয়ে যশোর ফেরার পথে ঘটনার প্রাথমিক তদন্ন চলছে। তাদের সদস্যদের মধ্যে একজন কন্যা বাসে চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার সময় সবাই ঘটনার প্রতি সাবধান ছিলেন। কিন্তু বাস ও অ্যাম্বুলেন্স মুখোমুখি ধাক্কা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন জাহানারা বেগম ও তাঁর স্বামী ইসমাইল হোসেনের মরদেহ। দুই ব্যক্তি ছিলেন কন্যা বাসে যাত্রী হিসাবে। সম্প্রতি তাদের পরিবার নিহতদের জন্য চিন্তা করছেন।
যশোরের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আহতদের। তাদের স্থিতি সাধারণ অবস্থায় রয়েছে। তবে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। স্বামীর মরদেহ নিয়ে এ ঘটনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সংঘর্ষের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সেই সাথে দুর্ঘটনার বিস্তার
