মানুষের আয় আরও বেশি হয়েছে ঝরা লিচু বিক্রির মাধ্যমে
ঝর ল চ ত ট ফ ন – ঈদুল আজহারের ছুটি হওয়ায় বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকায় দিনাজপুরের এলাকার শিশুরা ঝরা লিচু কুড়িয়ে প্রতিদিন টিফিনের খরচ কমানোর জন্য সাজাচ্ছেন। তাদের প্রাপ্ত অর্থ স্কুলে খাওয়া সামগ্রী কিনতে ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে কম আয়ের পরিবারগুলো কম খরচে তাদের সন্তানদের খাদ্য সরবরাহ করতে পারেন। এ ধরনের কাজ দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের পাচবাড়ী এলাকায় সাধারণত দেখা যায়, যেখানে ঝরা লিচুর বাজার সড়কের ধারে সংগঠিত হয়ে থাকে। শিশুরা সেখানে বসে প্রতিদিন স্বল্প দামে বিক্রি করছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য স্বাদু হয়ে উঠছে।
শিশুদের খুঁটি খাওয়া টিফিনের সামগ্রী
লিচু বাগানের ঝরা ফলগুলো কুড়িয়ে শিশুরা সুবিধাজনক মূল্যে বিক্রি করছে। তারা দিন দিন তাদের আয় বাড়াতে সফল হচ্ছেন, কারণ বাজারে লিচুর দাম চড়ছে। তাদের বাবা-মা আর মামা ঝরা লিচু বিক্রি করে আয় করছেন, যেটি শিশুদের খাদ্য ব্যবস্থার জন্য ক্ষমতা প্রদান করছে। কিছু শিশু বলছেন, “আমরা বন্ধুদের সঙ্গে মিলে লিচু কুড়িয়ে আয় করছি, যেহেতু বাজারে লিচু দাম কম নয়। অনেক সময় নিজেদের টুকিটাকি সামগ্রী কিনতে টাকা বাকি রাখছি।”
অনেক শিশু বিক্রির প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করছে, যার মাধ্যমে তারা নিজেদের খাওয়া সামগ্রী বাড়তি করেছে। এ কাজ নিয়ে তাদের কোনও কষ্ট নেই, কারণ লিচুর প্রাপ্ত টাকা বিক্রি করে বেশি বেশি প্রতিদিন আয় হচ্ছে। মারুফা নামে এক শিক্ষার্থী বলছেন, “আমরা প্রতিদিন ঝরা লিচু কুড়িয়ে সাজিয়ে নিয়ে বিক্রি করছি। কিছু বাবা-মা আমাদের পাশে সাহায্য করছেন, যেহেতু সাধারণ মানুষ প্রতিদিন সস্তায় লিচু কিনতে চায়।”
বাজারে লিচু দাম ও প্রতিযোগিতা
শিশুদের প্রাপ্ত লিচু বাজারে আরও সস্তা দামে বিক্রি হচ্ছে, যা তাদের আয় বাড়াতে সহায়তা করছে। প্রতি ১০০ ঝরা লিচু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যে দাম অনেকটা বাজারের তুলনায় কম। ভ্যানচালক মোন্নাফ আলী জানান, “ঝরা লিচু দিয়ে আমরা টিফিনের খরচ কমিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, কারণ সাধারণ মানুষ এই দামে লিচু কিনতে পছন্দ করে।”
লিচু বিক্রি করে শিশুরা আরও বেশি সময় দিয়ে টিফিন খরচ কমানোর প্রচেষ্টা করছে। বাগানে ঝরা লিচু বিক্রি করা প্রক্রিয়াটি বারবার পরিবর্তন হচ্ছে, কারণ শিশুরা প্রতিদিন বাজার করে আয় করছে। বাজারে গিয়ে তারা ঝরা লিচু �
