Health

সন্ত্রাসী চক্রের দাপটে আতঙ্কে চিকিৎসকেরা

সন্ত্রাসী চক্রের দাপটে আতঙ্কে চিকিৎসকেরা

সন ত র স চক র র – রাজধানীর সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে সন্ত্রাসী চক্রের হামলার পর চিকিৎসক ও কর্মচারীদের আতঙ্কিত করেছেন হুমকি। আউটসোর্সিং নিয়োগ ও দরপত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বিরোধ ঘটেছে চিকিৎসার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে। হাসপাতালের কর্মচারী সমিতির কাজ নিয়ে সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারে লক্ষ্য হয়েছে এই সমিতির নেতাদের।

জামাল হোসেনের খুন

মহাখালীর বক্ষব্যাধি হাসপাতালে কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন গত বছরের আগস্ট এক রাতে গুলি খাওয়া মারা যান। তাঁকে মারা যাওয়ার আগে তিনি নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সন্ত্রাসীদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল তাঁকে নির্বাচনে প্রার্থী হতে।

নিহত জামালের ভাই জসীম উদ্দিন বলেন, হুমকির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ তাঁদের সতর্ক থাকতে বলেছে। এ জন্য তিনি বেশির ভাগ সময় বাসাতেই থাকেন।

পুলিশ তদন্তে জানা গেছে, আজিজুল ওরফে রুবেল হাসপাতালপাড়ায় দরপত্র নিয়ন্ত্রণে সন্ত্রাসী চক্রের নেপথ্যে রয়েছেন। এ ঘটনায় বনানী থানায় নিহত জামালের বোন দিলারা আক্তার শেপুর করা হত্যা মামলায় আজিজুল ওরফে রুবেলসহ আটজনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিহত জামালের সমিতির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ ছিল হামলার কারণ।

তদন্ত ও আসামিরা

আজিজুল ওরফে রুবেলের প্রতিষ্ঠান ‘ইএমই ট্রেডার্স’ হাসপাতাল ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ডা. আহমদ হোসেনের হামলার ঘটনায় ২১ এপ্রিল বনানী থানায় অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা হয়। পরে র্যাব পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

ইব্রাহীম খলিল বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ওয়ার্ড বয়। ওই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, কোনো সন্ত্রাসীর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ নেই।

সন্ত্রাসী চক্রটি হাসপাতাল এলাকায় আটটি সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করত। পুলিশ বলছে, তদন্তে জামাল হত্যার নেপথ্যে রয়েছে মহাখালীর হাসপাতালপাড়ার দরপত্র নিয়ন্ত্রণকারী আজিজুল ওরফে রুবেল।

প্রসঙ্গত, এ ঘটনায় জামালের বড় ভাই সালাহ উদ্দিন সজলের হার্ট অ্যাটাকে দুই মাস আগে মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পরিবার তাঁদের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে হুমকি ও সন্তানদের অপহরণের অভিযোগ করেছেন। বিদেশি নম্ব

Leave a Comment