ডটি স্ট্রিট চেম্বারের চিঠি ফলকার তুর্ককে প্রেরণ করা হয়েছে
শ খ হ স ন র পক – বাংলাদেশে জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর অভ্যুত্থানের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রকাশিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফলকার তুর্ককে চিঠি প্রেরণ করেছে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডটি স্ট্রিট চেম্বার।
তথ্য অনুসন্ধানে ভুল ও বিপক্ষ উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়েছে
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্টে সংখ্যাগুলো নিশ্চিত করে সামান্য অংশমাত্র। বাংলাদেশে গৃহীত তথ্য অনুসন্ধান মিশনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব প্রতিষ্ঠানটি অস্বীকার করে নি।
‘অন্তর্বর্তী সরকারের নিজস্ব নথিপত্রের ভিত্তিতে শেখ হাসিনার সরকার সহিংসভাবে উৎখাটনের যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছিল। এটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে প্রকাশিত প্রতিবেদন সত্যের সাথে অসামঞ্জস্য ছিল।’
গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) লেখা হয়েছিল সেই চিঠি। তাতে বলা হয়েছে যে সরকারি গেজেটে নিশ্চিত করা হয়েছে তথ্য অনুসন্ধান মিশনে নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও তদন্ত সীমাবদ্ধতা
ডটি স্ট্রিট চেম্বার আরও উল্লেখ করেছে যে তথ্য অনুসন্ধানের সময়সীমা কেবল ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ছিল। তারপরে সরকারি তথ্যের সঙ্গে সামাজিক সংগঠনগুলো যুক্ত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডেটা থেকে উপসংহার স্থাপন করা হয়েছে যে নিহতের সংখ্যা বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না।
‘জাতিসংঘের প্রতিবেদনে নিহত সংখ্যা সামরিক রাইফেল ও ধাতব ছররাভর্তি শটগানের গুলি থেকে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা।’
২০২৪ সালের আগস্ট ৮ তারিখ থেকে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা দখল করার প্রতিবেদনে অসাংবিধানিক প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি মানবতাবিরোধী অপরাধের আদালতের প্রসিকিউটরের দপ্তরে দাখিল করা হয়েছে।
ডটি স্ট্রিট চেম্বার জানিয়েছে যে বিক্ষোভ চলাকালে নিহত সংখ্যা অত্যন্ত ভুল হতে পারে। সেই তথ্য অনুসন্ধান মিশনে প্রতিবেদনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
