ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু আক্রমণে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি
ক রব ন র পশ র ল প্রায় প্রতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে চলে যায়। এ সময় পশু বিক্রি ও জবাই প্রক্রিয়া চলাকালীন অসাবধানতার কারণে এ ধরনের আহত ও নিহতের সংখ্যা বেড়েছে। গত দুই দিন ধরে কোরবানির পশু আক্রমণে তিন জন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।
অনুমান অনুযায়ী বিপর্যয়ের পরিমাণ
দেশের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেকস ও জেলা হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী কোরবানির হাটে একটি মহিষের আক্রমণে রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন তার গুরুতর আহত সহপাত্র মৃত হন। নিহতের বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলায় অবস্থিত। এ ধরনের দুর্ঘটনা জেলা হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিত্সা প্রক্রিয়া চলছে।
হোমনা উপজেলায় এক গৃহবধূ ক রব ন র পশ র হাটে নিজের পালিত গরুর শিংয়ের গুঁতায় নিহত হন। তিনি উপজেলার ওমরাবাদ গ্রামের আবুল হাশেমের স্ত্রী। হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। এ ধরনের ঘটনা নানা জায়গায় ঘটছে।
বিস্তারিত তথ্য ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশদ বিবরণ
গত দুই দিনে ক রব ন র পশ র ল বিভিন্ন স্থানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। সারা দেশে আহত মানুষ বেড়েছে যার সংখ্যা দুই হাজারের বেশি। বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সা ও প্রতিক্রিয়া চলছে। কোরবানি সময়ে মানুষের প্রতি আক্রমণ সামান্য থেকে সামান্য হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে প্রতি দিন
