International

কেউ টাকা দেয়নি, পাঁচ মাস পরও তহবিলশূন্য ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ তহবিলশূন্য থাকার কারণ

ক উ ট ক দ য়ন প – মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা পুনর্গঠনের জন্য একটি বোর্ড অব পিস গঠন করেন। তবে এই প্রতিষ্ঠানের অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়া কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।

প্রস্তাবের পরে অর্থ জমা হয়নি

গত বছরের অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর ট্রাম্প এই প্রকল্প প্রস্তাব করেন। খসড়া সনদে বোর্ডটি প্রথমে গাজা সংকট সমাধানে কাজ করবে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংঘাত অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা করা হয়।

তহবিলে শূন্য ডলার জমা পড়েছে।

তবে বোর্ডের চার্টার অনুযায়ী, এটি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত নয়, বরং ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যক্তিগত মাধ্যমে চালানো হচ্ছে। বোর্ডের সিদ্ধান্তগুলো ট্রাম্পের হাতে রয়েছে এবং তাঁর প্রেসিডেন্সির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি কাজ করতে পারবে।

বোর্ডের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য প্রতিটি দেশ হতে অর্থ আদায় করা হবে। কিন্তু বিশ্বব্যাংক পরিচালিত এবং জাতিসংঘ সমর্থিত তহবিলে কোনো দাতা দেশ এখন পর্যন্ত অর্থ দেয়নি।

এপ্রিল মাসে ইউরোপ ও জাতিসংঘের যৌথ মূল্যায়ন অনুযায়ী গাজায় এক দশকের জন্য আগামী ৭১ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ প্রয়োজন হবে। তবে তহবিল জমা পড়েনি।

বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের সম্মতি ছিল

ট্রাম্প আগে ঘোষণা করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বোর্ডে ১০ বিলিয়ন ডলার অনুদান দেবে। সাথে কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিটি হতে অন্তত ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, জেপি মরগান ব্যাংকের হিসাবে বোর্ডের তহবিল কিছুটা ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকের তথ্য নিয়ে স্বাধীন বিশ্লেষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

দেশগুলো যোগ দেয়নি

ট্রাম্পের আদর্শিক সহযোগী ও মধ্যপ্রাচ্যের সামনে সমাধানের জন্য কিছু ছোট দেশ বোর্ডে যোগ দেয়। কিন্তু ইউরোপের বড় দেশগুলো এর প্রতি বিরক্ত হয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য প্রথম থেকে এ বোর্ডে যোগ দেয়া থেকে বিরত থাকে।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধ হয়নি। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও হামাস পরস্পরকে দায়ী করে আসছে। এর সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Comment