ইরান ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্রঘাটি পুনরুদ্ধার করেছে
ভ গর ভস থ ক ষ পণ – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান তাদের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি পুনরুদ্ধার করেছে। এটি ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর দিকে পুনরায় সক্ষমতা দেয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে দেখা গেছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মোট ৬৯টি সুড়ঙ্গ প্রবেশমুখ ধ্বংস করা হয়েছিল। ইরান সাধারণ নির্মাণযন্ত্র ব্যবহার করে তাদের পুনরায় খুলে ফেলেছে ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর ৫০টি।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণ ভিত্তিক কৌশলের সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে। ইরানের সুড়ঙ্গ প্রবেশপথ মাটি চাপা দেয়ার পর তাদের ক্ষেপণাস্ত্র চালানো সম্ভব হয়েছে। তবে বোঝা গেছে যে শুধুমাত্র প্রবেশমুখ ধ্বংস করে তেহরানের সক্ষমতা কমানো সম্ভব নয়। তারা বোমাবর্ষণে সম্পূর্ণ পরাজয় ঘটাতে পারেনি।
যতক্ষণ তাদের কাছে লঞ্চার ও সেগুলো পরিচালনার জন্য কর্মী থাকবে, ততক্ষণ তারা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়তে পারবে। ইরানের হাতে এখনো যে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রয়েছে, তা লঞ্চারগুলোতে বসিয়ে ব্যবহার করতে কোনো বাধা নেই।
সিএনএনের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার সংক্রান্ত সড়ক ধ্বংস করেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি অর্জনযোগ্য বিজয়কৌশল না থাকে, তাহলে সামরিক পর্যায়ে সাফল্য শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পরিণত হতে পারে।
ভূগর্ভস্থ স্থাপনা বিস্তার
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুই দশকের বেশি সময় ধরে গড়ে তোলা নেটওয়ার্ক অবশিষ্ট সামরিক সক্ষমতা রক্ষা করে। অধিকাংশ সুড়ঙ্গ মাটি ছাড়া করে এবং ঘাঁটিগুলো বিপর্যস্ত হয়েছে। ইস্পাহান নর্থ মিসাইল বেস অনেক হামলায় আঘাত পেয়েছে।
৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতির পর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ‘ইরান এখন নিজেদের অবশিষ্ট লঞ্চার ও ক্ষেপণাস্ত্র মাটি খুঁড়ে বের করছে, কিন্তু সেগুলোর বিকল্প তৈরির কোনো সক্ষমতা নেই।’
প্রাথমিক সমঝোতা
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইরান তাদের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণা�
