হাটে নয়, ঘিওর থেকে সরাসরি রাজধানীর বাসায় কোরবানির গরু
হ ট নয় ঘ ওর থ ক – ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান রাজধানীর ধানমন্ডির বাসায় কোরবানির গরু পৌঁছে দেওয়ার পর তিনি দাম পরিশোধ করেন। গ্রামে খামারে লালন-পালন করা গরুটির দাম ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা হয়েছে, যেখানে তিনি একটি খাসি কিনেছেন ২৫ হাজার টাকায়। হাটের ভিড় ছাড়া, পরিবহনের ঝামেলা বা দালালের বাড়তি খরচ ব্যতিরোধ করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে পশু কিনে তারা সন্তুষ্ট হয়েছেন।
প্রাকৃতিক কৃষি খামারের যাত্রা
মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার এই প্রকল্পটি গ্রামে খামারে গরু বিক্রি করার পরিবর্তে কৃষকের বিকল্প অর্থনৈতিক ভরসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর মূল ভিত্তি ছিল ২০২০ সালে বন্যার সময় কৃষক ও খামারি দিশেহারা হয়ে পড়ার পর। তখন থেকে কয়েকজন তরুণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কৃষকের গরু সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ। তারা এই ভাবনার ভিত্তিতে প্রাকৃতিক কৃষি খামারের যাত্রা শুরু করেন।
প্রাকৃতিক কৃষি খামারের প্রথম বছরে শুধু ১০টি গরু বিক্রি হয়েছিল। তবে এখন কার্যক্রম দ্রুত বাড়ছে। চলতি বছরে ইতিমধ্যে ২২টি গরু ও ৩৫টি খাসি বিক্রি হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে আরও ১০ থেকে ১৫টি গরু সরবরাহের প্রস্তুতি চলছে। ঢাকা, কুমিল্লা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হোম ডেলিভারি মাধ্যমে কোরবানির পশু পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের অনুযায়ী, এবার বিক্রি হওয়া গরুগুলোর মূল্য প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকার কাছাকাছি।
গ্রামীণ কৃষকের মূল্য বৃদ্ধি ও প্রক্রিয়া
উদ্যোক্তাদের দাবি, মধ্যস্বত্বভোগী বাদ পড়ায় কৃষকেরা তুলনামূলক বেশি দাম পাচ্ছেন। তবে ক্রেতারা কম খরচে ভালো মানের পশু কিনতে পারছেন। প্রাকৃতিক কৃষি খামারের পরিচালক দেলোয়ার জাহান বলেন, ‘গ্রামের কৃষকের কাছে গরু শুধু একটি পশু নয়, এটি তাঁর ব্যাংক। ফসল আবাদ করে আয়-ব্যয়ের হিসাব করলে কৃষকের হাতে তেমন কিছু থাকে না। কিন্তু এক বা দুটি গরু পালন করে বছর শেষে বিক্রি করলে সেটাই তাঁর সঞ্চয় হয়ে দাঁড়ায়। বিপদে পড়লে কৃষক গরু বিক্রি করেই আর্থিক সহায়তা পান।’
আমরা শুধু ব্যবসা করছি না। কৃষকের গরু ন্যায্যমূল্যে বিক্রির সুযোগ তৈরি করছি। এখন গ্রামের গরু সরাসরি ঢাকার বাসায় যাচ্ছে, এটাই আমাদের সবচেয�
