Bangladesh

তিনবিঘা করিডরে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক, ভারতীয় বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য

তিনবিঘা করিডরে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক, ভারতীয় বিধায়কের বিতর্কিত মন্তব্য

ত নব ঘ কর ডর ব জ – লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রামে তিনবিঘা করিডর সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টার কারণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর বিজিবি ও বিএসএফের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরে তিনবিঘা করিডর সড়কের পাশে বিএসএফের সভাকক্ষে বৈঠকটি পরিচালিত হয়।

পরিষ্কার কথা হচ্ছে কাজ অনগোয়িং প্রসেসে আছে। কাজ বন্ধ হবে না। পতাকা মিটিংয়ের মাধ্যমে আলোচনা চলতে থাকবে, কাজও চলতে থাকবে। গভর্নমেন্টের যা অর্ডার আছে, রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনে যা আছে, সেভাবেই কাজ হবে। বাংলাদেশ কী বলল, কী না বলল সেটা তাদের বিষয়। ভারত সরকার যা নির্দেশ দিয়েছে সে অনুযায়ীই কাজ হবে।

পশ্চিমবঙ্গে এখন ডাবল ইঞ্জিনের সরকার চলছে। কোনো সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষকে ভয় পাওয়ার কোনো বিষয় নেই। মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত থাকবে।

তিনবিঘা করিডরের সীমান্ত প্রধান পিলার ডিএএমপি ৭ এলাকায় বিএসএফ ও বিজিবির প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য একত্র হন। ভারতের পক্ষে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল নেতৃত্ব দেন ১৭৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট ভিনোদ রেধু ও ৩০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট এস নারায়ণ মিশরা। বাংলাদেশের পক্ষে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল নেতৃত্ব দেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান।

আলোচনার শুরুতে বিএসএফ কমান্ড্যান্ট বিজিবির গত শুক্রবারের মুখোমুখি অবস্থানের সমালোচনা করেন। বিএসএফ দাবি করেন শূন্যরেখা থেকে ৫০ গজের মধ্যে জমি অধিগ্রহণ করতে ৩ ফুটের ছোট বাঁশের খুঁটি স্থাপন করা হয়েছিল, যা ছোট একটি বিষয়। কিন্তু এটিকে কেন্দ্র করে বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার যেভাবে অস্ত্র কক করে পজিশন নিয়েছেন, তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক।

১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোনো ধরনের স্থাপনা বা কাঠামো নির্মাণ করা যাবে না। বিএসএফ আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে এবং বিজিবির বাধা উপেক্ষা করে জোরপূর্বক খুঁটি স্থাপন করছিল। এই

Leave a Comment