Analysis

তেল বেচতে ভারতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বাণিজ্য ও কূটনীতির জট খুলবে কি

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে এসে পৌঁছেছেন, জ্বালানি সংকটের মুখে নেতৃত্ব দেবে কূটনৈতিক আলোচনা

ত ল ব চত ভ রত ম – মধ্যপ্রাচ্যে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ইরান যুদ্ধ কারণে উদ্ভূত বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে চার দিনের সফরে আজ শনিবার সকালে ভারতে আসেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি কলকাতায় পৌঁছেছেন, যেখানে তার আগামী দিনগুলো অন্যান্য শহরের মধ্যে বিস্তার পাবে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য নয়াদিল্লি ও জয়পুর পর্যন্ত তার সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জ্বালানি পরিবহন কার্যত স্থবির হয়ে আসে। এই প্রণালি বন্ধ করে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ভারত এই সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অন্যতম, যেহেতু এই দেশটিকে সামান্য করে তোলা নয়াদিল্লির জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করতে হয়।

রুবিও বলেন, “আমরা ভারতের কাছে যতটা সম্ভব জ্বালানি বিক্রি করতে চাই। আপনারা দেখছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি উৎপাদন ও রপ্তানি ঐতিহাসিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি আমদানি করা একটি দীর্ঘপথ ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। তাই দিল্লি এই সফরে আরও বেশি সুবিধা আদায় করতে চাইবে। রুবিও-র সফরটি হচ্ছে এক সময়ে যখন ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে পাকিস্তান ও ইরানের নীতি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। পাশাপাশি আইন বিষয়ে টানাপোড়েন সত্ত্বেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি শুরুতে স্থিতিশীল ছিল তবে বর্তমানে এই প্রতিশ্রুতির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দিল্লির বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষণা নিয়ে কিছুটা সংশয় প্রকাশ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, টেক্সাসের ব্রাউনসভিলে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের বিনিয়োগ ও শুল্ক হ্রাসের পরিবর্তন নিয়ে আম্বানি কেবল রহস্যজনকভাবে নীরব থাকেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সফরে বাণিজ্য ঘাটতি ও সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পেশ করেছেন

২০২৬ সালের মার্চে নয়াদিল্লিতে কোয়াড বৈঠকে রুবিও যোগ দেবেন। সেই বৈঠকে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। এই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতকে সামরিক সম্পর্কে আহ্বান করছে বলে দাবি করেছে যেখানে ভারত কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায়।

২০২৫ সালে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি ৫৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ছিল, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ২৭ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু সংক্ষিপ্ত সংঘাতের পর ট্রাম্প পাকিস্তানের

Leave a Comment