চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি দোষ স্বীকার করেছেন
চট টগ র ম ৪ বছর র – চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মনির হোসেন (৩০) কে। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন যাতে তার ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করা হয়েছে। আদালত মামলাটির বিচারপ্রক্রিয়া তিন মাসের মধ্যে শেষ করার আদেশ জারি করেন।
শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত মনিরকে জবানবন্দি নেয়। সেই সাথে আদেশ দেন যে মামলার চার্জশিট দেওয়া এবং বিচারপ্রক্রিয়া আগামী তিন মাসের মধ্যে দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আদেশ দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগর আদালতের পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, আজ আসামি মনির দোষ স্বীকার করেছেন এবং জবানবন্দি দিয়েছেন ক্রমাগত গুরুতর নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে। এর আগে গতকাল রাতে সেই শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গতকাল চেয়ারম্যানঘাটায় অভিযুক্ত মনিরকে ঘটনাস্থলে আটক করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন করে তথ্য জোগায়। পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নিতে চাইলে সামনে পরিচালনা বন্ধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ গাড়ি বন্ধ করে সড়ক অবরোধ করে এবং ভ্যানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালান স্থানীয় বাসিন্দারা।
গতকাল বিকেল ৫টা থেকে রাত দেড়টা পর্যন্ত চেয়ারম্যানঘাটা এবং আশপাশের এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। রাত ১১টার পর বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ হয়ে গেলে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হন বলে জানা গেছে।
বর্তমানে শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে শিশুটির অবস্থা ভালো আছে। তার শারীরিক পরিস্থিতি থেকে মনে হচ্ছে তাকে ‘অ্যাটেম্পট টু রেপ’ বা ‘ধর্ষণ চেষ্টা’ করেছিল। ডিএনএ রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’
