রেকর্ড বৃষ্টি কুড়িগ্রামে কী ভাবে কৃষকদের বিপাকে ফেলেছে?
ক ড় গ র ম র কর – ক ড় গ র ম র কর এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড পরিমাণ অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে বোরো ধান কাটার মৌসুমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, কাটা ধান শুকানো এবং খড় সংরক্ষণের কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় মোট ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা অতি ভারী বৃষ্টিপাত হিসেবে বিবেচিত। রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে গৃহীত ডেটা অনুযায়ী, এই অঞ্চলে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি সর্বোচ্চ ১৮৩ মিলিমিটার হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ৭২ ঘণ্টায় ক ড় গ র ম র অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।
বোরো ধানের ক্ষয়ক্ষতির প্রতি সতর্কতা
টানা বৃষ্টির কারণে কুড়িগ্রাম জেলায় বোরো ধান কাটার মৌসুম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বিভিন্ন মাঠে ধানগাছের গলা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে, ফলে কৃষকদের জন্য প্রায় সব জমির ধান পেকে গেছে। ক ড় গ র ম র আবাদ প্রক্রিয়া বাধা পেয়েছে, কিন্তু সংকটটি পরিমাণ হতে পারে। এই পরিস্থিতির মুখে কৃষকরা প্রাণী খাদ্যের সংকট সম্পর্কেও চিন্তিত।
চিলমারি উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের কৃষক মোনাল বলেন, “ক ড় গ র ম র ধান আর খড় নিয়া বিপদে আছি। যেগুলো ধান কাটছি তার পোয়াল শুকবার পাবানচি না। এলাও ধান নিয়া বিপদ আছে। আবাদের টাকা এবার পানিতে শেষ হতে পারে।”
জেলা সদরের চরুয়াপাড়া গ্রামের কিষানি রেশমা বেগম বলেন, “আমাদের কাটা ধান বাড়ি আনছি, কিন্তু জমিতে ধানগাছের গলা পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। ক ড় গ র ম র আবাদ প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে কৃষকদের অর্ধ শুকনো খড় আবার ভিজে গেছে। তা পচে গেলে প্রাণী খাদ্যের সংকট হতে পারে।”
কৃষি অধিদপ্তর কী করছে এই সমস্যার মুখে?
কুড়িগ্রাম জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বর্তমান বোরো মৌসুমে জেলায় মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। প্রায় অর্ধেক জমির ধান ইতিমধ্যে কাটা হয়েছে, ত
