সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি: উত্তাপহীন নির্বাচনে ভোট শুরু আজ
স প র ম ক র ট – আওয়ামী লীগের আইনজীবীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিষিদ্ধ হওয়ায় এবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন কম উত্তাপে পরিচালিত হতে পারে। এ বছর বিএনপি, জামায়াত জোট ও এনসিপি-সমর্থিত আইনজীবীদের বিভিন্ন প্যানেল দিয়ে ভোট গ্রহণের প্রচেষ্টা চলছে। কয়েকজন আইনজীবী ব্যক্তিগতভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এবারের নির্বাচনে মূল দুই প্যানেলের মধ্যে প্রতিযোগিতা ঘটছে। এ কথা নিশ্চিত করে জামায়াতের প্যানেলের সম্পাদক প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম বলেন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এর সাথে সম্পর্কে উত্তাপ পাওয়া হয়েছে। সে পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু প্রচারে কমপক্ষে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে না।
আওয়ামীপন্থীদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁরা ফ্যাসিস্টের দোসর। নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য হওয়ায় আইনজীবীদের কার্যক্রম প্রতিহত হয়েছে।
পূর্বের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা না দিয়ে এ বছর নির্বাচন ঘটছে। প্রার্থীদের প্রচার কম নয় কিন্তু আওয়ামী লীগ প্যানেলের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অনেকটা উত্তাপ কমে গেছে।
২০২৪ সালের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীদের ১৪ সদস্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের চারটি পদ জয় করেছে। প্রার্থীদের বিপর্যয় ও কারচুপির অভিযোগের কারণে এক সময় পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানান বিএনপি সমর্থিত প্যানেল।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন দলগুলো অপরিচিত সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যেখানে প্রার্থীদের বিপরীত দিকে ভোটারদের উপস্থিতি কম হতে পারে। পূর্বে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা করতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা দুই বছর ব্যাপী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে বাধা দেয়।
পরে কমিটির মেয়াদ শেষে এবার নির্বাচন করা হয় না। তবে সুপ্রিম কোর্ট বারে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীদের ৪০ জন প্রার্থী আছে। এ বছর ওদের সংখ্যা কমিয়েছে। পূর্বের নির্বাচনে সম্পাদক প্রার্থী রুহুল কুদ্দুস জানান বিশেষ সাধারণ সভায় ভোটারদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম অসাংবিধানিক ছিল।
