পূর্ব সুন্দরবনে ট্রলারসহ ১২ জেলে অপহরণ
প র ব স ন দরবন – পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ফুসফুসেরচর এলাকায় বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী দ্বারা একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) দিবাগত রাতে ঘটে। অপহরণের খবর পেয়ে পূর্ব সুন্দরবনে অভিযান চালু করা হয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত অপহৃতদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সুন্দরবনের অজ্ঞাত স্থানে জেলেদের আটকে রাখার খবর পাওয়া গেছে। বনদস্যুদের খোঁজে অভিযান চালু করার পর বনরক্ষীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে।
অপহরণের বিবরণ ও অভিযুক্তদের বিবরণ
পাথরঘাটার রহিতা ও তালতলী উপজেলার নিদ্রাসখিনা এলাকার বাসিনদের মধ্যে অপহরণের খবর পেয়ে বনরক্ষীরা অবিলম্বে অভিযান শুরু করেছেন। এ ঘটনার প্রতিবেদন পেয়ে শরণখোলা রেঞ্জের এলাকার সাধারণ মানুষদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। অপহরণ করা হয়েছে সুন্দরবনের জেলেদের কিছু সংখ্যক। এখন পর্যন্ত অপহৃতদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। গৃহীত তথ্য অনুযায়ী, অপহরণ করা হয়েছে সুন্দরবনের এলাকায় কাজ করা জেলেদের কিছু সংখ্যক। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অপহরণের সময় দস্যুদের কেন্দ্রীয় সংখ্যা ১৫ থেকে ১৬ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। তারা বিশেষ ধরনের পোশাক পরিহিত ও ভারী অস্ত্রে সজ্জিত ছিল।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীর দাবি
সুন্দরবনের অপহরণ ঘটনার খবর পেয়ে এক মৎস্য ব্যবসায়ী জানান, সুন্দরবনে কৃত্রিম আঁকড়া ও মাছ ধরার ট্রলারে কাজ করে থাকা জেলেদের কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা অপহরণ করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন যে, বনদস্যুদের কবজায় আরও কয়েকজন জেলে রয়েছে। অপহরণ করা হয়েছে সুন্দরবনের মুখ্য জেলে অপহরণের ঘটনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ঘটনার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সুন্দরবনে কাজ করা বিভিন্ন ব্যক্তি। তারা বর্ণনা করেন যে, অপহরণ করা হয়েছে একটি ট্রলারসহ জেলেদের কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা।
অভিযান ও সংঘটনার প্রকৃত পটভূমি
বনদস্যুরা পূর্ব সুন্দরবনের কৃত্রিম আঁকড়া ও মাছ ধরার ট্রলারে অপহরণ করার ঘটনা প্রকাশ করেছে। অপহরণের সময় সুন্দরবনের স্থানীয় বাসিনদের কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা জেলেদের আটকে রাখা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবেদন পেয়ে বনরক্ষীদের দ্বারা একটি পূর্ব সুন্দরবনে অভিযান চালু করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অপহৃতদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, পূর্ব সুন্দরবনে জেলে অপহরণের ঘটনার খবর তিনি শুনেছেন। তিনি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।
পূর্ব সুন্দরবন অঞ্চলে বিশেষ ধরনের অপরাধ ঘটছে। তারা প্রায়ই ট্রলার চালানো ও কৃত্রিম আঁকড়া ব্যবহার করে জেলেদের আটকে রাখে। এ প্রক্রিয়ায় মূলত বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা অপহরণ করা হয়। সুন্দরবনের বিশেষ স্থানে এ ধরনের অপরাধ চলছে। তারা জেলেদের মাছ বেচার ও আঁকড়া বিক্রি করতে দেখে অপহরণ করে। এ প্রক্রিয়ায় অপহরণ করা হয়েছে কয়েকজন জেলে।
