যন্ত্রচালিত খননে শ্রমিকের সুযোগ হারালো স্থানীয়রা
Banglajibon.com – খ ল প ন খনন অন য়ম – কালাই কানমনা-হারাবতী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে কাগজে-কলমে ১৮০ জন শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঘোষণা করা হলেও বাস্তবে মাঠে ছয়টি এক্সকাভেটর মেশিন চালু রয়েছে। সরকারিভাবে শ্রমনির্ভর কাজের ওপর জোর দেওয়া হলেও স্থানীয়দের দাবি, এই প্রকল্পে কোনো সাধারণ শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়নি। জয়পুরহাটের এই প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন এবং এর দায়িত্বে রয়েছে কানমনা-হারাবতী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড।
বরাদ্দ ও কাজের বিস্তারিত
সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছর ২০২৩-২৪-এ টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রোয়াইরের স্লুইস গেট থেকে বানদীঘি পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য প্রথম দফায় ১ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একই খালের আরও ৫ দশমিক ৯০৫ কিলোমিটার অংশ পুনঃখননের জন্য দ্বিতীয় দফায় ৭১ লাখ ১৫ হাজার ৭০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এই বরাদ্দের মধ্যে কানমনা অংশে ৪ হাজার ৬৮০ মিটার খননের জন্য ৫৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫০ টাকা এবং হারাবতী অংশে ১ হাজার ২২৫ মিটার খননের জন্য ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৯২০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কাজের সময়সীমা ছিল চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত।
মান নির্ধারণে ত্রুটি
এলজিইডির অনুমোদিত প্রাক্কলন অনুযায়ী খালের কাটিং ডেপথ সর্বনিম্ন ৪ ইঞ্চি থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ইঞ্চি, খালের তলার প্রস্থ ১০ থেকে ১১ দশমিক ৫ ফুট এবং উপরিভাগের প্রস্থ ২২ থেকে ৩২ ফুট হওয়ার কথা। সরেজমিন দেখা যায়, বহু স্থানে সেই মাপের প্রতিফলন নেই। কোথাও উঁচু অংশের মাটি কেটে সমান করা হয়েছে, কোথাও শুধু দুই পাড়ের আগাছা পরিষ্কার ও ঘাস চেঁচে ঢালু করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৃষ্টির সময় খালের নিচু অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার সুযোগে খননের পরিবর্তে উপরিভাগ পরিষ্কার করেই কাজ শেষ দেখানো হয়েছে। পুরো খালে খননকাজ করেছে ছয়টি ভেকু মেশিন। শ্রমিকদের উপস্থিতি তাঁরা দেখেননি। এতে দরিদ্র শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সুযোগও নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।
প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্য
মাত্রাই মুন্নাপাড়ার বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন,
এস্টিমেট অনুযায়ী কাজ হয়নি। খালের যেসব অংশে গভীরভাবে কাটার কথা ছিল, সেখানে তা করা হয়নি। অনেক জায়গা শুধু ঘাস চেঁচে পাড় ঢালু করা হয়েছে। আবার টেন্ডার ছাড়াই খালের দুই পাড়ের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
জানতে চাইলে প্রকল্পের তদারকি কর্মকর্তা ও সহকারী প্রকৌশলী আবু জাফর বলেন,
প্রকল্পে শ্রমিক ব্যবহার করা হয়নি, ভেকু মেশিন দিয়েই কাজ হয়েছে।
সমিতির সাধারণ সম্পাদক মফিদুল ইসলাম বলেন,
অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। ভেকু ও শ্রমিক সমন্বয়ে কাজ শেষ হয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয়।
এলজিইডি প্রকৌশলী সুমন কুমার দেবনাথ বলেন,
কাজ শেষ হওয়ার পর পোস্ট-ওয়ার্ক মেজারমেন্ট অনুযায়ী বিল দেওয়া হবে। কোথাও কম কাজ হলে কম বিল দেওয়া হবে। শ্রমিকের তালিকা কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is খ ল প ন খনন অন য়ম?
খ ল প ন খনন অন য়ম is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does খ ল প ন খনন অন য়ম matter?
খ ল প ন খনন অন য়ম matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.
