শিশু স্বাস্থ্য: কমছে মাতৃদুগ্ধ পান, ভুগছে শিশুরা
মাতৃদুগ্ধের আবশ্যকতা কমে গেছে বলে পরিসংখ্যান বুঝিয়েছে
শ শ স ব স থ য – নবজাতক ও ছয় মাসের কম শিশুদের জন্য মাতৃদুগ্ধ পানের হার সাম্প্রতিক সময়ে নামেছে। এমআইসিএস নামক জরিপ অনুযায়ী, শিশু জন্মের পর এক ঘণ্টার মধ্যে মাতৃদুগ্ধ পানের হার কেবল ৩০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ও পুষ্টিগত সুরক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনুসারে, ছয় মাসের মধ্যে শুধু মাতৃদুগ্ধ পানের হার মাত্র ৫৭ শতাংশ।
মাতৃদুগ্ধ স্বাস্থ্যের প্রাথমিক ভূমিকা কী?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মাতৃদুগ্ধ থেকে শিশু প্রয়োজনীয় পুষ্টি এবং রোগ প্রতিরোধের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জন করে। শিশু জন্মের পর মায়ের স্তন থেকে প্রকাশিত আঠালো শালদুধ স্বাভাবিক দুধের তুলনায় বেশি পুষ্টিগুণ বহন করে। এ দুধে বিশেষ করে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখে।
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম কাজল জানান, প্রথম ছয় মাসে মাতৃদুগ্ধ পান অপরিহার্য। তিনি বলেন, প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধের জন্য মাতৃদুগ্ধে থাকা অ্যান্টিবডি এবং জৈব উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘মাতৃদুগ্ধ পান শিশুর প্রাথমিক রোগ প্রতিরোধ গঠনে অপরিহার্য। মাতৃদুগ্ধে থাকা অ্যান্টিবডি ও অন্যান্য জৈব উপাদান শিশুর অপরিণত রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে সুরক্ষা দেয়।’
হামের ঝুঁকি বৃদ্ধি হয়েছে, তথ্য ভুল হতে পারে
মাতৃদুগ্ধ পানের হার কমে গেলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এ কারণে হাম এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়া সম্ভাবনা বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী কাল পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃত্যুর হার ৩৯৮ শিশুতে পৌঁছেছে। এ মাত্র প্রায় ৭৭ শিশু নিশ্চিতভাবে মৃত হয়েছে।
তবে পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি হিসাব প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা থেকে প্রাপ্য নয়। তাঁদের ধারণা, বিকল্প খাদ্যে অভ্যস্ত শিশুদের হামের প্রবণতা আরও বেশি হতে পারে। দেশে এই প্রবণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য সম্পর্কে সংশয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানে বিস্তার দেখা যাচ্ছে
ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মতে প্রথম ছয় মাস মাতৃদুগ্ধ পানের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু �
