ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশু মৃত্যুর ঘটনা
ময়মনস হ হ ম র উপসর – ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশু মৃত্যুর সন্ধান পাওয়া গেছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে মৃত শিশুর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মোট মৃতের সংখ্যা ৩৪ জন হয়ে গেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে হাসপাতালের সিনিয়র স্টোর অফিসার ডা. ঝন্টু সরকার প্রকাশ করেন যে গত ১৭ মে তাকে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। সোমবার (১৮ মে) রাতে তার মৃত্যু ঘটে। বিষয়টি প্রমাণ করতে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছিল।
মৃত শিশুর বিবরণ ও চিকিৎসার প্রক্রিয়া
মৃত শিশুটি ইসরাত (৮) নামে পরিচিত, যিনি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামে মো. শাহ আলমের মেয়ে। তিনি হামের উপসর্গ নিয়ে গত ১৭ মে হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে কর্মকর্তারা তার জন্য বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু সোমবার রাতে তার অবস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যায়। তখন তার মৃত্যু ঘটে। হাসপাতাল সূত্র থেকে জানা যায় যে সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আরও ৩৪ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৫২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৩১৪ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৪ জন শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩২ জন শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ৬৪ শয্যার একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু রয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম কাজ করছেন। গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে হাসপাতালে হামের চিকিৎসা ব্যবস্থা শুরু হয়। মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু হয়। তবে চলতি বছরের শুরুতে হাসপাতাল জানায় যে এ বিষয়ে প্রতিদিন নতুন করে রোগী আসছে।
হামের জটিলতা ও চিকিৎসার পদ্ধতি
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন গোলাম মাওলা বলেন, “হামে আক্রান্ত হলে শিশুদের ইমিউনিটি কমে যায়। তখন নিউমোনিয়া বা অন্য সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পায়। আমরা দেখছি নিউমোনিয়ার টিকায় ড্রপআউট বেশি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের অনেক শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। অপুষ্টির কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। হামের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি হয়ে যায়। শিশুদে
