Bangladesh

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি অঞ্চল: পানি সংকটে ৪০% মানুষ

খাগড়াছড়ি পাহাড়ি অঞ্চল: পানি সংকটে চার দশমিক শতাংশ মানুষ

খ গড় ছড় প হ ড় অঞ – খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে পানি সংকট প্রায় সর্বত্র অনুভূত হয়ে আসছে। এখানকার বাসিন্দারা সুপেয় পানি আমন্ত্রণ করে বাড়ি পর্যন্ত গেলে নিজেদের শক্তি শেষ হয়ে যাচ্ছে। গরমের সময় পানির চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও এই সময়টিতে চরম আক্রমণ হচ্ছে। পাহাড়ের উঁচু এলাকার মানুষদের দুর্ভোগ অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে।

পানি সংগ্রহের পরিশ্রম ও প্রাকৃতিক উৎসের ক্ষয়

খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা এলাকায় পাড়ায় পানির অভাবে মানুষ দুর্গম অঞ্চলে প্রতিদিন দূর দূরান্তে পানি সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছে। ছড়া শুকিয়ে গেছে এবং কুয়াতে পানি পাওয়া যাচ্ছে কম। এক কলস পানি নিয়ে ঘরে পৌঁছতে কিলোমিটারের ওপর মাইল যাওয়া প্রয়োজন। কুসুমবালা ত্রিপুরা বলেন, ‘পাড়া থেকে আধা কিলোমিটার নিচে কুয়া থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়। মৃত ছড়ার বালুর উপর ছাড়া আর কিছু দেখা যাচ্ছে না।’

এ সময় দুই থেকে তিন কিলোমিটার দূরে গিয়ে পাহাড়ের নিচে নেমে পানি সংগ্রহ করতে হয়। ভোর থেকে দুইবার পানি সংগ্রহ করতে অনেক সময় লাগে।’

খাগড়াছড়ি জেলার সাপমারা এলাকার কাবারি নিরু কুমার ত্রিপুরা জানান, পাড়ায় পানির অনেক সংকট রয়েছে। কুয়া খুঁড়লে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রাম থেকে এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে সংগ্রহ করতে হয়। পাড়ায় ৪২ পরিবার বসবাস করে। ভোর থেকে পানি সংগ্রহ করতে হয়।

সাপমারা এলাকার বাসিন্দা সতোষ ত্রিপুরা বলেন, ‘এ সময় সুপেয় পানির অভাব রয়েছে। কুয়ার পানি পান করতে হয়, তাই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হতে হয়।’

তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমা বলেন, শহর এলাকাতে প্রায় ৫০০ ফুট গভীরে পানি মিলছে, যা ভবিষ্যতের জন্য চিন্তার বিষয়। অপরিকল্পিত বাগান গড়ে ওঠায় প্রাকৃতিক পানির উৎস ধ্বং হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, পানিসংকট মোকাবিলায় সবাই একত্রে প্রাকৃতিক উৎস সংরক্ষণে অংশ নিতে হবে। তবেই সংকট থেকে উত্তরণের পথ তৈরি হবে।

খাগড়াছড়ি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী কে এম সাঈদ মাহমুদ বলেন, ‘প্রতিটি উপজেলার দুর্গম এলাকায় পানিসংকট রয়েছে। পানি ব্যবস্থা করতে আমরা নতুন পরিকল্পনা করে মন্ত্রালয়ে প্রজেক্ট সাবমিট ক

Leave a Comment