কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনায় ছাত্রের আত্মহত্যা অভিযোগ
পীর হত্যার পরিস্থিতি বিপর্যস্ত করেছে পরিবার
ক ষ ট য় য় প র – কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনায় আতঙ্কে আব্দুল্লাহ প্রামাণিক লাম (১৭) নামের এক স্কুলশিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। তাঁর পরিবারের দাবি, কোরআন অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আবদুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যাকাণ্ডের মামলায় তাঁর বড় ভাই আলিফ ইসলাম (২৩) গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার সম্পূর্ণ ঘটনা তাঁর মানসিক স্থিতি বিপর্যস্ত করেছে। লাম ছিল স্থানীয় পিএসএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং রবিউল ইসলামের ছেলে। ঘটনার দিন তিনি হামলার স্থানে উপস্থিত ছিলেন এবং উত্তেজিত জনতার সাথে ভাঙচুরের অংশ নিয়েছিলেন।
“আমার ছেলে আলিফ কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিল না, তবুও ভিডিও ফুটেজ দেখে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। লাম ছোট মানুষ, সবার সঙ্গে দেখা করে গিয়েছিল। কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। ভয় ও দুশ্চিন্তা থেকেই হয়তো আত্মহত্যা করেছে।”
হামলার প্রেরণা ও স্থানীয় বিপর্যস্তি
গত শনিবার দুপুরে আশুলিয়া থানার আশুলিয়া এলাকার খালার ভাড়া বাসায় লাম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল রোববার রাতে ফিলিপনগরে তার পরিবারের কবরস্থানে দাফন করা হয়। পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী অনেক তথ্য গোপন রাখা হলেও হামলার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ফিলিপনগর এলাকার শামীমের আস্তানা উচ্ছেদ করা। কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পুরোনো ভিডিওর অংশ ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে উসকে উত্তেজিত জনতা শামীমের আস্তানায় হামলা চালায়। ওই হামলার সময় তাঁকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চলে।
এ ঘটনায় কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার সম্পূর্ণ ঘটনা স্থানীয় মানুষের মধ্যে ভয় জাগায়। পুলিশের দাবি, হামলার প্রস্তুতি কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে থেকে চালানো হয়েছিল। তদন্ত কর্মকর্তারা বলেন, কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনা বিশেষ করে ছাত্রদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর থেকে পরিবার ভীত হয়ে পড়েছে।
পুলিশ কুষ্টিয়ায় পীর হত্যার ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করেছে। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, হামলার সময় পুলিশ ও জনতার মধ্যে �
