বাংলাদেশ সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বিজয় পেয়েছে নিয়ন্ত্রণ
ল টন স ঞ চ র ন – সিলেটের সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলার পর বাংলাদেশ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে। গতকাল প্রথম দিনে পাকিস্তান যে রকম খেলছিল, সেটা অপরিবর্তিত থাকলে আর একটু আলাদা ফল হতে পারত। কিন্তু লিটন দাসের প্রতিভা চাপে পড়লে অতিরিক্ত সুযোগ বাঁধে।
লিটনের প্রতিভা খুঁজে পায় নাহিদ রানা
গতকাল টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামার সময় বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ১০৬ রান ছিল। লিটন দাস এই ক্ষণে নেমে তার সাথে স্কোর হয়ে যায় ৬ উইকেটে ১১০ রান। দল এখন বেশি আশাবাজী করছে তার খেলার সুযোগের ফলে।
‘আমি বলব আমাদের টার্নিং পয়েন্টটা ছিল লিটন দার সেঞ্চুরি। তারপর হচ্ছে যে শেষের দিকে তাইজুল ভাই, তাসকিন ভাই, শরীফুল, এই শেষের দিকে ব্যাটিংয়ে টার্নিং পয়েন্টটা বেশি ছিল। আলহামদুলিল্লাহ ভালো করছি বোলিংয়ে। কিন্তু যদি লিটনদার সেঞ্চুরি না হতো, তাহলে আমরা আরেকটু ব্যাকফুটে থাকতাম।’
সপ্তম থেকে নবম উইকেটে তিন টেলএন্ডার ব্যাটার তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের সাথে লিটন দাস একটি সংখ্যা গড়ে তুলেছেন। এই তিন জুটি গড়তে লিটন ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি সাধু করেন। তিনি ১৫৯ বলে ১২৬ রান করেছেন। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে ১৫৬ রানে।
লক্ষ্য নেই প্রতিযোগী দাবি করার
গতকাল ব্যক্তিগত ৫২ রানে পাকিস্তানের ভুলে বেঁচে যান লিটন। খুররম শেহজাদের বাউন্সার পুল করতে গিয়ে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। সেই সময় পাকিস্তান রিভিউ নেয়নি, কিন্তু রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি তার গ্লাভস ছুঁয়ে গিয়েছিল। তিনি কোনো লক্ষ্য ছাড়া খেলছেন।
‘টেস্টের দুই দিন শেষ হয়েছে এবং আরও তিন দিন আছে। আমরা কাল যতক্ষণ পারব, ব্যাটিং করব। কোনো লক্ষ্য নেই যে ২০০ কিংবা ২৫০ রান দিতে হবে। কারণ দীর্ঘ সময় বাকি আছে। আমাদের কাল চেষ্টা করব দীর্ঘ সময় খেলার।’
বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের বিপক্ষে এখন দুই দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ রানা জানান যে লিটনের খেলাই প্রধান ছিল। গতকাল দ্বিতীয
