মিয়ানমারে পাচার করার পরিচালনার সময় সিমেন্ট ও বোট জব্দ
ম য় নম র প চ রক – মিয়ানমারে পাচার করার প্রক্রিয়ার সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী যৌথ অভিযানে অংশ গ্রহণ করে তিনটি ফিশিং বোট এবং প্রায় ২ হাজার ৪০০ বস্তা সিমেন্ট আটক করেছেন। ঘটনার তথ্য প্রকাশ করেন শাহপরী দ্বীপ কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী, যিনি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন। এই অপারেশনে মিয়ানমারে পাচার করার প্রতিষ্ঠিত কাজ বন্ধ করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিরা চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলার মানুষ থেকে সিমেন্ট সংগ্রহ করে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে পাচার করছিলেন। অভিযানের সময় সিমেন্টের মূল্য সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়েছে যে মোট মূল্য ১৬ লাখ টাকা।
অভিযানের প্রক্রিয়া ও পরিচালনা
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গোপন তথ্য ব্যবহার করে অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে। মিয়ানমারে পাচার করা সিমেন্ট বোট সাধারণত পুনরায় বিক্রি করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হত। আটক ব্যক্তিরা হাতিয়া ও সন্দ্বীপ এলাকার মানুষ থেকে সিমেন্ট সংগ্রহ করে এবং মিয়ানমারে পাচার করতে নিয়োগ করেছিলেন। এ বিষয়ে কমান্ডার সিদ্দিকী জানান যে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে আটক করা হয়েছে।
“মিয়ানমারে পাচারের প্রক্রিয়া চালু রয়েছে যার মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে সিমেন্ট সংগ্রহ করে পরিচালিত হয়। কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী এবং স্টেশন সেন্ট মার্টিন কর্মকর্তারা এ অভিযানে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। আটক ব্যক্তিরা পরিচালনার সময় মিয়ানমারে পাচার করার পরিকল্পনা চালিয়েছিল। আটক বোট ও সিমেন্টের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান।”
পাচারের ব্যবস্হা ও স্থানীয় কর্মকর্তারা
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিয়ানমারে পাচার করার কাজের সম্পূর্ণ বিবরণ প্রদান করেছেন। তিন ফিশিং বোট এবং সিমেন্টের জব্দ ঘটনার প্রতিবেদন করেছেন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী। তিনি এ কথা বলেছেন যে আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমারে পাচার করার সময় সিমেন্ট সরবরাহ করছিল। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড প্রায় পঞ্চাশ লাখ টাকা মূল্যের সিমেন্ট আটক করেছেন।
মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট জব্দ করা হয়েছে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ ক্রমে। এ কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়েছে দুপুর প্রায় দুইটি ঘণ্টার মধ্যে শাহপরী দ্বীপের জেটিঘাটে। আটক ব্যক্তিরা কোস্ট গার্ড আউটপোস্টে এবং স্টেশন সেন্ট মার্টিনে নৌবাহিনী কর্মীদের সহযোগ করে পাচার করতে সক্ষম হয়েছিল। এ অভিযানের ফলে মিয়ানমারে পাচার করা সিমেন্টের একটি বৃহৎ পরিমাণ গোলাপের মতো নির্মূল করা হয়েছে।
বোটের বিবরণ ও জব্দ সিমেন্টের মূল্য
আটক করা তিনটি ফিশিং বোটের মধ্যে একটি মূল বোট ও দুইটি সহায়ক বোট ছিল। এগুলো সম্পূর্ণ বাংলাদেশী হাতে পাচার করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। সিমেন্ট বস্তা গুলো যাত্রী ভাড়া দিয়ে মিয়ানমারে পৌঁছানো হত। অপারেশনে গোলাপের সিমেন্ট বস্তার মূল্য প্রায় ১৬ লাখ টাকা হিসাবে মূল্�
