Bangladesh

শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

শেবাচিম হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

শ ব চ ম হ সপ ত – বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের হাসপাতালে আবারও রোগী ও চিকিৎসকদের মধ্যে তীব্র বিরোধ ঘটেছে। গতকাল শনিবার রাতে এক রোগীর মৃত্যুর পর দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ ঘটনার জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা আজ রোববার সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসার সুবিধা ব্যাহত হয়েছে।

মৃতের স্বজন ও ওয়ার্ডবয়ের মধ্যে তীব্র বিরোধ

শেবাচিম হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত মিজানুর রহমান (৪০) নামের রোগীকে গতকাল রাত ১২টার পর হাসপাতালে আনা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদরের হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকার বাসিন্দা। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সার্জারি ওয়ার্ডে নেওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। মৃতের ছোট ভাই রুবেল হাওলাদার জানান, হামলার ঘটনায় ওয়ার্ডবয় লিমন ব্যবস্থাপত্র নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে থাকা সরকারি বিএম কলেজের শিক্ষার্থী নাহিদ সরোয়ার ব্যবস্থাপত্র নিয়ে কথা বলতে চাইলে সংঘর্ষ ঘটে।

নাহিদকে আটকে রাখার খবর পেয়ে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে জড়ো হন। এ ব্যাপারে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পাল্টা অবস্থান নিলে সংঘর্ষ আরও বাড়ে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

বরিশাল কোতোয়ালি থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম জানান, রোগীর মৃত্যুর পর দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিল। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরবর্তীতে মেডিকেল কলেজ ও বিএম কলেজের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধান করা হয়।

নিরাপত্তা ও কর্মবিরতি নিয়ে তীব্র দাবি

গতকাল রাতে ঘটনার জেরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে ধর্মঘট শুরু করেন। তাঁদের দাবি ছিল আনসার নিয়োগ, সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন এবং অতিরিক্ত রোগী ভর্তি না করা। ইন্টার্ন চিকিৎসক তানভীর হোসেন জানান, তাঁদের ওপর আটকে রাখা হয়েছিল। পূর্বেও বিভিন্ন সময় তাঁদের ওপর হামলা হয়েছে। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে ওয়ার্ডে ডিউটি করবেন না বলে তিনি জানান।

শেবাচিম হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আব্দুল মুনায়েম সাদ জানান, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কিছু দাবি ছিল। তাঁদের প্রতি ওয়ার্ডে আনসার নিয়োগ করা হলে কাজে ফিরবেন তাঁরা। কিন্তু সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন �

Leave a Comment