Business

আমদানি-ঋণ-রেমিট্যান্সের প্রভাব: তিন চাপে দেশে আবার ঊর্ধ্বমুখী ডলারের দাম

আমদানি ও ঋণের চাপ: ডলারের দাম আবারও বেড়েছে

আমদ ন ঋণ র ম ট য – বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে আবার চাপ পড়ার কারণ হিসাবে আমদানি বিল পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণের কিস্তি এবং ঈদের পর রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যাওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির ফলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার উন্নত হয়েছে এবং গড় দর ১২৩ টাকায় পৌঁছেছে। সোমবার আন্তব্যাংক বাজারে প্রতি ডলারের দর ১২২ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা হয়েছে। চলতি মাসে ডলারের দাম এই সংখ্যা পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

বাজারে চাপ তৈরির কারণ

বাজার সম্পর্কিত সূত্রে জানানো হয়েছে যে জ্বালানি এবং জরুরি পণ্যের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে বিদেশি ঋণের কিস্তি ও এলসি নিষ্পত্তির কারণে ব্যাংকগুলোর ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ঈদের পর স্বাভাবিকভাবে প্রবাসী আয় কমে যাওয়ায় সরবরাহও কিছুটা সংকুচিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকারি বিল পরিশোধের চাপই মূলত এই পরিস্থিতির কারণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আপাতত বাজার থেকে ডলার কেনার ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত তথ্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজারভ এক বছর আগে তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (বিপিএম-৬) অনুযায়ী এই মাসে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত রিজারভ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৯০ কোটি ডলার, যা এক বছর আগে ২ হাজার ৪৪৪ কোটি ডলার ছিল।

যমুনা মানি এক্সচেঞ্জারের স্বত্বাধিকারী আনিসুজ্জামান বলেন, গতকাল তাঁদের ডলার বিক্রি মূল্য ১২৬ দশমিক ৪০ টাকা হয়েছে যেখানে ক্রয়মূল্য ১২৪ দশমিক ১০ টাকা। দীর্ঘদিন ধরেই এ দরে কেনাবেচা হচ্ছে যদিও এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সীমার চেয়ে সামান্য বেশি।

তদ্রুপী বিশ্লেষণ

Leave a Comment