Environment

বৃষ্টি-ঢলে বন্যা: চট্টগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩২০ কিমি সড়ক

বৃষ্টি-ঢলে বন্যা: চট্টগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩২০ কিমি সড়ক

ব ষ ট ঢল বন য – বৃষ্টির পরিমাণ কমে পানির স্তর নামছে বন্যাপ্রাপ্ত অঞ্চলগুলো থেকে। অধিকাংশ নদী এবং নালা পানিতে হাল ধরেছে। বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতি দেখা দিয়েছে যার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলো হিসাব গুনতে শুরু করেছে।

চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২২৩টি বসতঘর ও সাত হাজার কিছুটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় ১ হাজার ৩২০ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৬০টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ১৯৬ দশমিক ৭৯ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতবিক্ষত হয়েছে যা গত ছয় বর্ষার মৌসুমের ক্ষয়ক্ষতিকে অতিক্রম করেছে।

মৌলভীবাজার ও বান্দরবানে ধ্বংস হয়েছে সড়ক

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে কক্সবাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান ও সমন্বয় বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় সভা শেষে গতকাল তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, কক্সবাজারের চারটি স্থানে নির্মিত উপকূলীয় বাঁধ উপচে পানি প্রবেশ করায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। মাতামুহুরী, পূর্বপাড়া, পূর্ব মেহেরনামা ও শীলখালী এলাকায় স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ মেরামতের কাজ চলছে।

ফসল, ঘরবাড়ি, রাস্তা, গবাদিপশু, ধান চাল, পুকুর ও ঘেরের মাছসহ কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই বলে দাবি করেন বাঁশখালীতে পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় দুর্দশায় পড়া মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় মালামাল পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে আজাদ বলেন, পতেঙ্গা এলাকায় সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের প্রায় ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রকল্পটি শেষ হলে দী

Leave a Comment