এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটির বিষয়ে চার শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে
প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি ও সৃজনশীল অংশের অসংগতি
এইচএসস র পদ র থব জ ঞ – এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বৃদ্ধির কারণে চার শিক্ষককে নোটিশ জারি করা হয়েছে। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন স্বাক্ষরিত নোটিশটি এইচএসসি র পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে ত্রুটির কারণ জানানোর জন্য তিন দিনের মধ্যে লিখিত বিবরণ জমা দেওয়ার আহ্বান জানায়। এইচএসসি র পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্র সম্পর্কে ক্রমশঃ আলোচনা চলছে এবং এতে গুরুতর ত্রুটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দায়িত্ব নির্ধারণের জন্য বিশেষ আলোচনা করা হয়েছে।
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রথম পত্রে সৃজনশীল অংশে ক্রমশঃ ৬ ও ৭ নম্বরের প্রশ্নে গুরুতর ত্রুটি ও অসংগতি লক্ষ্য করা হয়। এই অসংগতির কারণে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ প্রায় সামান্য ছাড়া না থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে যে এমন ত্রুটি দেখা গেলে দায়িত্বশীল শিক্ষকদের ও প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্ব পালনের দৃঢ় প্রয়োজন। এইচএসসি র পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে ত্রুটি লক্ষ্য করার পর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।
গুরুতর ত্রুটির কারণ ও চার শিক্ষকের নাম
এইচএসসি র পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটির কারণ জানানোর জন্য চার শিক্ষককে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে যে প্রশ্নপত্রে গুরুতর ত্রুটি দেখা গেলে দায়িত্বশীল শিক্ষকদের কর্মদ্বারে অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা বিদ্যমান। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি র পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে ত্রুটি দেখে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ঘটেছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে চার শিক্ষকের নাম। তাদের মধ্যে শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, এমসি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বিশেষ করে সৃজনশীল অংশে গুরুতর ত্রুটির কারণ জানানোর দায়িত্বে রয়েছেন। তাদের প্রশ্নপত্র পরিশোধনের দায়িত্ব বিষয়টি দৃঢ় ভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পক্ষে প
