হতাশা ঝেড়ে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন সীমা
হত শ ঝ ড় ফ ল করে কৃষিঋণে নতুন জীবনের দরজা খুললেন সীমা
Banglajibon.com – হত শ ঝ ড় ফ ল এগ - যশোরের ঝিকগাছা উপজেলায় পানিসারা ইউনিয়নের কুলিটা গ্রামে বসবাসকারী মোছা. জোবাইদা নাহার সীমার জীবন একসময় ছিল অচল। স্বামী রাশেদুল ইসলামের হঠাৎ মৃত্যুর পর তিনি একা তিন ছোট ছেলের দায়িত্ব সামলাতে বাধ্যত হয়েছিলেন। তবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একটি উদ্যোক্তা ঋণ তাঁর জীবনের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দেয়। আজ সীমা একজন স্বাবলম্বী কৃষক-উদ্যোক্তা, যিনি হত শ ঝ ড় ফ ল করে নিজের হাতে সংসারের চাকা ঘুরিয়েছেন।
শোকের ভার ও অর্থনৈতিক সংকট
প্রায় তিন বছর আগে মাঠে কাজের সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে রাশেদুল ইসলামের মৃত্যু ঘটে। সেই মুহূর্তে সীমার গর্ভে ছিল মাত্র তিন মাসের এক সন্তান, পাশে ছিল তিন ছোট ছেলে। স্বামীর সঙ্গে চলে যায় সংসারের একমাত্র আশ্রয়। রাশেদুলের পিছনে থেকে যায় আড়াই লাখ টাকার দেনা, আর সংসারের সম্বল হিসেবে ছিল মাত্র দুই বিঘা চাষজমি। শোকের সঙ্গে সঙ্গেই সীমার সামনে খোলে অর্থনৈতিক সাগর — সন্তানদের নিয়ে সংসার সামলানোর চিন্তায় তিনি পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন।
এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ তিনি খুঁজে পান কৃষিঋণে। ঝিকগাছা শাখার বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার উদ্যোক্তা ঋণ গ্রহণ করে তিনি চাষাবাদের পথে পা রাখেন। একবার শুরু হলে পেছন ফিরে তাকানোর সুযোগ তিনি আর নিতে চাননি।
ঋণের অর্থ দিয়ে সংসারের পুনর্গঠন
চলতি মৌসুমে সীমা রজনীগন্ধা ফুল, ধান ও পাট চাষ করেছেন। এ ছাড়া জারবেরা ফুলের একটি শেড স্থাপনের প্রস্তুতিও তিনি নিয়েছেন। ঋণের অর্থ দিয়ে তিনি স্বামীর দেনার দুই লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। এছাড়া বিদেশি জাতের দুটি গরু কেনা এবং বিভিন্ন প্রজাতির ছয়টি ছাগল সংগ্রহ করেছেন। সংসারে এখন অভাবের বদলে সচ্ছলতা এসে বসেছে।
সীমার বড় ছেলে রাইহানুল ইসলাম এবার দাখিল পরীক্ষা দিচ্ছে, বাকি ছোট সন্তানরাও স্কুলে পড়ছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে সীমা বলেন,
এই টাকায় আমি স্বামীর অবর্তমানে চাষাবাদ করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। সন্তানদের নিয়ে এখন ভালো আছি।
ব্যাংক ব্যবস্থাপকের মন্তব্য
ঝিকগাছা শাখার ব্যবস্থাপক বিবেকানন্দ মণ্ডল জানান, কৃষি ব্যাংক শুধু কৃষককে কৃষিঋণ দেয় না — উদ্যোক্তা তৈরিতেও কাজ করে। সীমাকে দেওয়া এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার ঋণ তাঁকে স্বাবলম্বী করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই শাখা থেকে শতাধিক মানুষকে উদ্যোক্তা ঋণ প্রদান করে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। বিবেকানন্দ মণ্ডলের মতে, সীমা সংগ্রামী, নিষ্ঠাবান ও পরিশ্রমী; ঋণের অর্থ তিনি অযথা ব্যয় না করে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছেন।
প্রায়শ্নোত্তর
সীমা কোন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন? ঝিকগাছা শাখার বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে এক লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার উদ্যোক্তা ঋণ।
ঋণের অর্থ তিনি কী কাজে ব্যবহার করেছেন? চাষাবাদ (রজনীগন্ধা, ধান, পাট), জারবেরা শেড স্থাপনের প্রস্তুতি, গরু ও ছাগল সংগ্রহ এবং স্বামীর দেনা পরিশোধ।
সীমা এখন কি স্বাবলম্বী? হ্যাঁ। ঋণের মাধ্যমে তিনি চাষাবাদ ও পশুপালনে নিজেই আয় আর্জন করছেন এবং সংসার সামলাচ্ছেন।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is হত শ ঝ ড় ফ ল এগ?হত শ ঝ ড় ফ ল এগ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does হত শ ঝ ড় ফ ল এগ matter?হত শ ঝ ড় ফ ল এগ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.