নকআউট পর্বের দ্বার খুলল মেসির ইতিহাস গড়ার দিনে আর্জেন্টিনা
ম স র ইত হ স গড় – বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে টানা তিন বিশ্বকাপে তিনটি পেনাল্টি মিস করলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু সেই রোমাঞ্চ এবং নাটকীয়তার ভেলায় চড়ে তিনি দুর্দান্ত এক মহাকাব্য রচনা করেন, যে দিন দিয়েগো ম্যারাডোনার অবিস্মরণীয় ‘হ্যান্ড অব গডের’ গোল স্মৃতির ৪০ বছর পূর্তি হয়। আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ‘মুচাচোস’ গান শ্রোতাদের আগ্রহ তুলে ধরে, কিন্তু মাঠে আসে মেসির অপূর্ব শক্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ফুটবলের প্রতিযোগিতা তীব্র হয়। পঞ্চম মিনিটে নাউয়েল মলিনার পাস দিয়ে অস্ট্রিয়ার রক্ষণ ভেঙে দারুণ এক থ্রু-পাস করেন মেসি। তবে বক্সে ছুটে আসা লাউতারো মার্তিনেসকে ডিফেন্ডাররা ফাউল করলে ভিএআর দেখে পেনাল্টি বাঁশি বাজায় রেফারি। এ সময় মেসি বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পর সেই মাহেন্দ্রক্ষণে স্পট-কিক নিয়ে মাঠে নামেন।
মেসির নামের পাশে যোগ হলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত হ্যাটট্রিক—বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইউরোপীয় দলগুলোর বিপক্ষে টানা তিন বিশ্বকাপে তিনটি পেনাল্টি মিস করলেন তিনি।
মাঝমাঠ থেকে থিয়াগো আলমাদার পাস ধরে ওভারল্যাপ করা ফাকুন্দো মেদিনা বক্সে নিচু কাটব্যাক করেন। সেখানে ছুটে আসা থিয়াগো আলমাদা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্তভাবে বলটি পায়ের নিচ দিয়ে গলিয়ে দেন, যেন জানতেন পেছনে আছেন মেসি। ফাঁকা জায়গায় বল পেয়ে আর্জেন্টিনার জাদুকর কোনো ভুল করেননি।
অস্ট্রিয়ার ফিজিক্যাল ফুটবলের বিপরীতে আর্জেন্টিনা চেনা রক্ষণ দেয়াল তুলে ধরে। এ সময় বিশেষ করে মার্সেল সাবিৎসার ও কনরাড লাইমারের সমন্বয়ে অস্ট্রিয়া আক্রমণ থেকে পেছনে পেড়ে যায়। চোটের কারণে ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো মাঠ ছাড়লে অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দিকে রক্ষণভাগে নামান স্কালোনি।
ম্যাচের শেষ দিকে অস্ট্রিয়ার সেই স্তব্ধতার সুযোগ নিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। বক্সের ভেতর হুলিয়ান আলভারেসের শট ও মেসির প্রচেষ্টা প্রতিহত হয়, কিন্তু ফিরতি বলে ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে মেসি বলটি জালে
