পাকিস্তানের বিপক্ষে এই চার জয় বাংলাদেশের কাছে ‘ভেরি স্পেশাল’
প ক স ত ন র ব – বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে গত ১৩ টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তান অ্যাকাউন্ট করতে পারেনি। এই ধরনের সাফল্য তারা প্রথম দেখা গেল বাংলাদেশ সেরা দল কেবল জিম্বাবুয়ে ও পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা চারটি জয় করেছে। সিলেটে বর্তমান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পঞ্চম দিনে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তানকে সে বিপক্ষে সিরিজ জয়ের কীর্তি অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
২০১৫ সালে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ওয়ানডে সিরিজে ঐতিহাসিক পরাজয়ের পর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত জয় করতে শুরু করে। সেই সাফল্যের পর থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় আর কম পরিমাণে নয়া অভ্যাস বানাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে অষ্টম উইকেটে সাজিদ-রিজওয়ানের জুটি দ্বারা গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান দল, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মনে করেন সামনে আরও অনেক টেস্ট ম্যাচে সেরা প্রদর্শন করা প্রয়োজন।
সাফল্য বাংলাদেশের কাছে অনেক স্পেশাল
সব সময়ই আমি বলি যে আমাদের টেস্ট দলটা আস্তে আস্তে তৈরি করতে হবে। আরও অনেক উন্নতির জায়গা রয়েছে। এই জায়গাগুলো ঠিকঠাক করতে হবে। যখন আমরা দেশ ও দেশের বাইরে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলব, তখন আমি বলব যে আমাদের দলটা আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে যাচ্ছে।
২০০৩ সালের মুলতানে ইনজামাম উল হক ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে পাকিস্তানের সঙ্গে চোখে চোখ রাখা শুরু করেছিল। আজ সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে বাংলাদেশ দুইবার পাকিস্তানকে মাঝেমাঝে প্রত্যাবর্তন দেখিয়ে খেলেছে। তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ ধরার পর গুটিয়ে গেছে পাকিস্তান। এই অবস্থায় ডাগআউট থেকে করতালির মতো সিলেটের গ্যালারি থেকে উচ্ছ্বাস শোনা গেছে।
মিরপুরে প্রথম টেস্টে গ্যালারিতে যে পরিমাণ দর্শক ছিলেন, সিলেট স্টেডিয়ামে তাদের সংখ্যা কম দেখা গেছে। কিন্তু শান্ত বলেন যে যে কয় জন দর্শক ছিলেন, তারা সমর্থন দিয়েছেন খেলার মোমেন্টামটা বুঝে।
তিনি আরও বলেন, ‘সেরকম তো বুঝি না। কারণ, আমরা মাঠে আমাদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। তবে গ্যালারিতে যে কয় জন দর্শকই ছিলেন, তাঁরা যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এ
