ফুটবলের সেরা সাফল্যের রহস্য
ত দ র প য় ফ টবল – ফুটবল সাধারণত এক দলের একত্র খেলার সূত্রে সাধ্য হয়। সহযোগিতার অভাবে দলের সাফল্য সম্ভব নয় বলে কেউ কেউ মনে করেন। কিন্তু কোচদের কথা বাড়িয়ে দিয়ে সে কথা দ্বিমত করার সুযোগ নেই। ইতিহাসের কিছু দিন হাস্যরস ছাড়া কিছু করে না। তখন সমস্ত কৌশল মুহূর্তে ছাড়িয়ে যায় এবং মাঠে লেখা হয় তারকাদের নাম।
এমবাপ্পে ফ্রান্সের গোলদাতা হিসেবে উন্নতি
১৬ জুনের দিন ফুটবল বিশ্ব বুঁদ হয়ে রয়েছে। নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে তিনটি ম্যাচে তিন তারকার অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রমাণ করে দেয়। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে এই সময় মহাজাগতিক উৎসব ঘটিয়েছেন। সেনেগালের বিপক্ষে তাঁর এই ম্যাচ তাঁর জন্য একটি পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। সর্বোচ্চ দুর্বলতা কাটিয়ে তিনি প্রথম গোলটি দাঁড় করিয়েছেন নিখুঁত টাইমিংয়ের সাহায্যে।
ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের প্রতি দ্বিমত করার সুযোগ নেই।
হালান্ডের নরওয়ে ফিরে আসার গুরুত্ব
বোস্টনে শুরু হয়েছিল আরলিং হালান্ডের সুন্দর কার্যকারিতা। ইরাকের বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানে তাঁদের সমাপ্তি ঘটিয়ে দেয়া হয়েছে। নরওয়ে বিশ্বকাপে দীর্ঘ ২৮ বছর পর পুনরায় আসছে দুর্বল প্রতিপক্ষের ওপর তাঁদের গোলসংখ্যা সীমাবদ্ধ হয়েছে ৫৭টি। ম্যাচের আগে কোচ স্টেল সোলবাকেন তাঁকে বিশ্বের সেরা গোল স্কোরার বলে যে বাজি ধরেছিলেন, তার শতভাগ প্রতিদান দেন হালান্ড।
মেসির সেরা মুহূর্তের প্রমাণ
তিন পার্টের সিনেমার শেষ অংশটুকু জমা ছিল লিওনেল মেসির জন্য। এই মুহূর্তে তাঁর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ মিশন শুরু হয় ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা রাত। অফসাইড নিয়ে দুর্বল বিপক্ষ একটি গোল বাতিল করেছিল কিন্তু মেসি সেটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারেননি। ১৭ মিনিটে রদ্রিগো দি পলের পাস থেকে তিনি একটি ক্ষীণ শটে আলজেরিয়ার জাল কাঁপিয়েছেন। দ্বিতীয় গোলটি গোলরক্ষক লুকা জিদানের বুকে বাঁকে যাওয়া বলের চতুর রিবাউন্ড শট।
তারকাদের গুরুত্ব আছে, সমর্থকদের ভালোবাসে। কোচ স্টেল সোলবাকেন হালান্ডকে বিশ্বের সেরা গোল স্কোরার বলে যে বাজি ধরেছিলেন, তার শতভাগ প্রতিদান দেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধে এই কিছু দেখা যায় মেসির ক্ষমতা। অসহায় জিদানের বুকে শেল বিঁধে তিনি হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন।
