জামায়াতের মহিলা সদস্যদের সক্রিয়তা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রস্তুতি
স থ ন য় সরক র ন – ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন অর্জন করেছে, যা দলটির এ পর্যন্ত সংসদ নির্বাচনের সর্বোচ্চ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত। নারী কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এ সাফল্যের পেছনে। মহিলা সংগঠকদের সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাড়ি বাড়ি প্রচার করে সাড়া ফেলেছেন বলে জানা গেছে। আগামী আগস্ট মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রত্যাশা রয়েছে, যার আগে জামায়াতের নারী সংগঠকরা একাধিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা নিয়মিত উঠান বৈঠক, পরিবার ভিত্তিক মতবিনিময় ও দাওয়াতি কার্যক্রম ব্যবহার করে সাংগঠনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রার্থী বাছাই ও সম্ভাব্য বাধা পরিকল্পনা
জামায়াতে ইসলামী তাদের সাংগঠনিক কাজের স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চালাচ্ছে। এই প্রস্তুতির মূল কাজটি সম্পৃক্ত হয়েছে মহিলা বিভাগের তরফে। প্রতিটি এলাকার নির্বাচনী পরিবেশ মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত নির্ধারণ করা হবে। মহিলা সদস্যরা একটি নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করছেন বলে জানা গেছে, যা নানা বাধা অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
“জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবার আশা রয়েছে। বর্তমানে আমরা ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ করছি এবং আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামব দলীয় পর্যায়ে প্রার্থী চূড়ান্ত হলে।”
জামায়াতের নেতাদের মনে করছে যে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য সুবিধাজনক। মূলত গ্রাম ও মহল্লা পর্যায়ে নারীদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিকশিত হবে। এ বিষয়ে মহিলা বিভাগের তৎপরতা ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “আমাদের মহিলা বিভাগও সমানতালে কাজ করছে। তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছি।”
