গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তি জামায়াতের সঙ্গে জোটের পক্ষে ছিলেন না: মুশফিক উস সালেহীন
গ র ত বপ র ণ দ – বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর বড় নেতারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধ ভাবে অংশ গ্রহণের মনস্থির করেছিলেন বলে দাবি করেছেন দলটির সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন। তিনি আরও বলেন যে এ দুই ব্যক্তি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের পক্ষে ছিলেন না। দলের ভেতর সম্পৃক্ত গুরুত্বপূর্ণ দুজন ব্যক্তির একজনকে জোট গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে দলে যোগ দেয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। অন্যজন শেষমেশ দলে যোগ দেননি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে একটি পোস্টে এ বিষয়ে মুশফিক উস সালেহীন বলেন, ‘মিডিয়ায় যে যাই বলুক না কেন, নির্বাচন যোগাযোগের আগে এনসিপির বড় নেতারা যথেষ্ট আগেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু কোন দলের সাথে জোট হবে তা নিয়ে সবাই একমত হতে পারেনি।’
ফেসবুক পোস্টে মুশফিক লিখেছেন, ‘নির্বাচনের আগে সর্বশেষ ইসি মিটিংয়ে যতোগুলো সভা হয়েছে, প্রতিটাতেই এককভাবে অথবা তৃতীয় জোট গঠনের পক্ষে মত বেশি ছিল।’
সেই মিটিংয়ে অফিসিয়ালি দলের বাইরে থাকা দুইজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। সেদিন এককভাবে নির্বাচন করার পক্ষে ১৮ জন মত দেন। বিএনপির সাথে জোটের পক্ষে আট জন ও জামায়াতের সাথে জোটের পক্ষে সাত জন মত দেন। ফলে মোট আটাশ জন নেতা জামাতের সাথে জোটের পক্ষে মত দেন।
তিনি আরও জানান, জোট না করলে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও তাসনিম জারা দুই জনকে জামাত তাদের সংসদে যেতে দেবে। জামাত তাদের সাংগঠনিকভাবে ব্যাকআপ দিবে বলে মনে করা হয়েছিল। এ কারণে দুই ব্যক্তি এককভাবে নির্বাচনের পক্ষে মত দেন।
সংসদ সদস্য হওয়ার পর দল চলে যাবে এই দুই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে বলে মুশফিক অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, বিএনপির সাথে জোট করার কারণে নেতিবাচক ইমেজ গঠন হবে। আসন কম দেয়া এবং চাঁদাবাজির কারণে সংস্কার বিরোধী হওয়ায় বিএনপির সাথে যাওয়া যাবে না। তাই জামায়াতের সাথে জোট করা ছাড়া উপায় নেই।
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা মুশফিক জানান যে কোরামের মধ্যে অবিশ্বাসের বাতাবরণ ছড়িয়ে আছে। পুরো দলে একটা সংস্থান ও গ
