Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, জনগণ জানে: রিজভী

Published September 13, 2026 · Updated September 13, 2026 · By Richard Smith - banglajibon.com

Foto : Richard Smith - banglajibon.com

গুলশানের মিছিল ঘিরে জামায়াতের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান রিজভীর

Banglajibon.com – ক ক র সঙ গ আ ত - গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপির বিরুদ্ধে ওঠা আঁতাতের অভিযোগ নাকচ করেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তাঁর বক্তব্য, আওয়ামী লীগকে ক্ষমার কথা বিএনপির কোনো জাতীয় নেতা বলেননি; তাই কারা কার সঙ্গে সমঝোতায় আছে, তা দেশের মানুষই বুঝতে পারেন।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রিজভী। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে করা অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে বাস্তবতা আড়াল করা সম্ভব নয়।

“আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।”

আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনের দায়িত্বের প্রসঙ্গ

রিজভী বলেন, কোনো সংগঠন যদি বেআইনি বা নিষিদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করার সুযোগ থাকার কথা নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অভিযোগের চেয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ভূমিকা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দেখতে হবে কারা ওই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং কীভাবে তা সংঘটিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

“যারা বেআইনি সংগঠন, নিষিদ্ধ সংগঠন, আদালত তাদের নিষিদ্ধ করেছে। সুতরাং বেআইনি যে সংগঠন, তারা প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারে না।”

রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং ব্যাখ্যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু রিজভীর বক্তব্যে মূল জোর ছিল একটি প্রশ্নে—নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের কর্মসূচি হলে সেটি প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কী ছিল। তাঁর মতে, বিষয়টি কেবল দলীয় বিতর্কের মধ্যে সীমিত রাখার সুযোগ নেই।

গুলশানের ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

গুলশানে মিছিলের খবরের পর জামায়াতে ইসলামীর অভিযোগ ছিল, ক্ষমতাসীন বিএনপির সঙ্গে আঁতাত করেই আওয়ামী লীগ ওই কর্মসূচি পালন করেছে। রিজভী সেই অভিযোগকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, জনগণ রাজনৈতিক অবস্থান ও অতীতের বক্তব্য বিবেচনা করেই নিজেদের সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে।

তিনি এমন কোনো নতুন তথ্য উপস্থাপন করেননি যাতে মিছিলের পরিকল্পনা, সংগঠক বা অনুমতির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উঠে আসে। বরং তিনি প্রশাসনিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার দিকেই দৃষ্টি দেন। এ কারণে ঘটনাটির রাজনৈতিক ব্যাখ্যার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

রিজভী জানান, ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ভূমিকা রেখেছে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে কিংবা মিছিলের সঙ্গে তাঁদের সম্পৃক্ততার বিস্তারিত তিনি বলেননি।

“সরকারের কনসার্ন যে মিনিস্ট্রি, অর্থাৎ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে দেখবেন, কারা এর সঙ্গে জড়িত আছে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে। তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে ভূমিকা রেখেছে। কিছু গ্রেপ্তারও হয়েছে।”

জনগণের বিচারবোধের ওপর আস্থা

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বক্তব্যে বারবার এসেছে জনমতের প্রসঙ্গ। তাঁর দাবি, কোন রাজনৈতিক শক্তি কী অবস্থান নিয়েছে, কে কাকে ক্ষমা করার কথা বলেছে এবং কার বক্তব্যের সঙ্গে কার আচরণের মিল রয়েছে—এসব বিষয় জনগণের অজানা নয়। তাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অভিযোগে বিএনপির অবস্থান বদলাবে না বলেই তাঁর বক্তব্য থেকে বোঝা যায়।

রাজনীতিতে আঁতাতের অভিযোগ সাধারণত জনমত প্রভাবিত করার একটি বড় উপাদান হয়ে ওঠে। বিশেষ করে নিষিদ্ধ বা বেআইনি সংগঠনের প্রকাশ্য কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং রাজনৈতিক দায়—দুই বিষয়ই আলোচনায় আসে। রিজভীর বক্তব্যে বিএনপি সেই দায়ের অভিযোগ নিজেদের ওপর নিতে রাজি নয় এবং ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওপরেই রাখছে।

গুলশানের মিছিলকে কেন্দ্র করে এখন প্রধান প্রশ্ন হলো, নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে বা সংশ্লিষ্টতায় প্রকাশ্য জমায়েতের অভিযোগ কতটা সত্য, কারা এতে অংশ নিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে। এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ ও যাচাইয়ের ওপর।

এদিকে রিজভীর অবস্থান স্পষ্ট: আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করার কোনো ঘোষণা বিএনপির জাতীয় নেতৃত্ব দেয়নি, আর আঁতাতের অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের ভার তিনি জনগণের বিচারবোধের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ক ক র সঙ গ আ ত?

ক ক র সঙ গ আ ত is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ক ক র সঙ গ আ ত matter?

ক ক র সঙ গ আ ত matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.