শিশুর প্রতি সহিংসতা: দায়মুক্তির সংস্কৃতি বন্ধের আহ্বান ইউনিসেফের
শ শ র প রত সহ সত – বাংলাদেশে শিশুদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া নৃশংস সহিংসতা এবং ধর্ষণের ঘটনাগুলো ইউনিসেফ কর্তৃক গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ জাগিয়েছে। সংস্থাটি বর্বরতার বিরুদ্ধে আত্মপ্রকাশ করেছে এবং দোষীদের সহিংসতা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইউনিসেফ গত শুক্রবার প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালে নারী ও শিশুদের উপর শারীরিক ও যৌন সহিংসতার ঘটনা আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিশুদের প্রতি সহিংসতা তাদের সবচেয়ে নিরাপদ বলে মনে করা স্কুল, মাদ্রাসা, কর্মস্থল ও পরিবারে পরিচিত হয়েছে। এ পরিস্থিতি শিশু সুরক্ষা এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি করে তুলেছে। সংস্থাটি অপরাধীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানায় এবং সমাজের সবাইকে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়েছে।
সহিংসতা রোধে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার অভাব, শিশুবান্ধব পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার ঘাটতি এবং সামাজিক সেবার সীমাবদ্ধতা দুর্গন্ন ভিত্তিতে সমাধান করা দরকার। তারা মনে করে শিশু ও নারীদের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা এবং কর্মস্থল, পরিবার এবং স্কুলের জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।
সমাজের সবাইকে আওয়াজ তোলার আহ্বান
সংস্থাটি সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারীদের প্রতি ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছে। তাদের প্রতি আশঙ্কাজনক ঘটনার সামনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি বা তথ্য শেয়ার করা ভুক্তভোগীদের মানসিক নির্যাতন হিসেবে গণ্য হয়েছে। সংবেদনশীল তথ্য ছড়ানোর পরিবর্তে অপরাধের বিরুদ্ধে সবাইকে আওয়াজ তোলার অনুরোধ করা হয়েছে।
‘যখন সমাজ ও সমাজবাসী নীরব থাকে, তখন সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ে।’
বিবৃতির শেষে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি শিশু যেকোনো স্থানে—তা সমাজ, বিদ্যালয় বা বাড়ি যেখানেই হোক না কেন—সুরক্ষিত থাকার অধিকার রয়েছে। গণমাধ্যম বা জনসমক্ষে তাদের গল্প ও ছবি কীভাবে উপস্থাপিত হবে, সেখানেও তাদের অধিকার নিশ্চিত করা দরকার।
বর্তমান সরকারি সুরক্ষা সেবার �
