Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

চট্টগ্রামে ফিরছে ভেরিফিকেশন

Published Oktober 15, 2026 · Updated Oktober 15, 2026 · By Mary Taylor - banglajibon.com

Foto : Mary Taylor - banglajibon.com

চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে পুলিশ ভেরিফিকেশন ফেরানোর ভাবনা

Banglajibon.com – চট টগ র ম ফ রছ ভ - চট টগ র ম ফ রছ—রোহিঙ্গাদের ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নেওয়ার আশঙ্কার মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে আবার পুলিশ ভেরিফিকেশন চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে সরকার। সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এই দুই অঞ্চলের পাসপোর্ট কার্যালয়কে আবেদন যাচাইয়ে আরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাসপোর্ট ইস্যুর আগে বাধ্যতামূলক পুলিশি যাচাই না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে সাধারণ মানুষের পাসপোর্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হলেও জালিয়াতির মাধ্যমে এনআইডি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও সুযোগ তৈরি হওয়ার উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বহিরাগমন অনুবিভাগ) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদের ভাষ্য, যাচাই না থাকায় সবার জন্য পাসপোর্ট পাওয়া তুলনামূলক সহজ হয়েছে। কিন্তু কিছু রোহিঙ্গার হাতে জালিয়াতির মাধ্যমে এনআইডি পৌঁছানোর অভিযোগ থাকায় তাঁদের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা ব্যবহারের ঝুঁকি রয়েছে।

“ভেরিফিকেশন ছাড়া খুব সহজেই সবাই পাসপোর্ট হাতে পাচ্ছেন। কিছু রোহিঙ্গার হাতে যেহেতু ইতিমধ্যে জালিয়াতির মাধ্যমে এনআইডি চলে গেছে, তাদের জন্যও পাসপোর্ট পাওয়া সহজ হয়েছে।”

ভুয়া এনআইডি নিয়ে উদ্বেগ

জালিয়াতির মাধ্যমে কতজন রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেয়েছেন, তার নির্দিষ্ট হিসাব প্রকাশ্যে আসেনি। তবে টেকনাফে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার রোহিঙ্গা ভুয়া এনআইডি সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সাবরাং ইউনিয়নেই এমন এনআইডির সংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি হতে পারে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, নির্বাচন কার্যালয়ের অসাধু কর্মকর্তা ও দালালচক্রের একটি নেটওয়ার্ক ভুয়া পরিচয় তৈরিতে সহায়তা করেছে। এই চক্রের যোগাযোগ কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাইরে দেশের অন্য এলাকাতেও ছড়িয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা রোহিঙ্গা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাহাবুবুর রহমানের দাবি, জেলায় কয়েক লাখ রোহিঙ্গার হাতে বাংলাদেশি এনআইডি পৌঁছেছে। তাঁর মতে, টেকনাফে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরির প্রবণতা বেশি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়া এনআইডি শনাক্ত করে বাতিল করা প্রয়োজন।

পাসপোর্ট আবেদনে বাড়তি যাচাই

চট টগ র ম ফ রছ প্রসঙ্গে আলোচনায় শুধু পাসপোর্ট আবেদন নয়, জাল এনআইডির উৎসও খতিয়ে দেখার তাগিদ এসেছে। সংশ্লিষ্টরা জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি পরিচয়পত্র চিহ্নিত করে সেগুলো ব্লক করার সম্ভাবনাও বিবেচনা করছেন।

৮ অক্টোবর কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আবেদন যাচাইয়ে বাড়তি সতর্কতা দেখা গেছে। সেখানে কেবল এনআইডির ভিত্তিতে নাগরিকত্ব নিশ্চিত না করে আবেদনকারীর চাকরি বা ব্যবসা, পরিবারের সদস্যদের পরিচয়, স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি এবং অন্যান্য সহায়ক তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী পরিচালক মো. শহিদ উল্যাহ জানান, স্থানীয়ভাবে কড়াকড়ি থাকায় কেউ দেশের অন্য এলাকায় গিয়ে পাসপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন। তাঁর ভাষ্য, এনআইডি থাকলেই পাসপোর্ট পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই; পুলিশ ভেরিফিকেশন না থাকায় অফিসকে বিভিন্ন উপায়ে তথ্য যাচাই করতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিশেষভাবে পুলিশি যাচাই ফেরানো হবে, নাকি জাতীয় পর্যায়ে নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ আবেদনকারীদের সেবা যেন অযথা বিলম্বিত না হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

প্রশ্নোত্তর

পুলিশ ভেরিফিকেশন কি এখন সব পাসপোর্ট আবেদনে বাধ্যতামূলক?

না। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির নির্দেশনার পর পাসপোর্ট ইস্যুর আগে পুলিশি যাচাই বাধ্যতামূলক ছিল না। তবে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে বিশেষ ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।

এনআইডি থাকলে কি পাসপোর্ট নিশ্চিত?

না। পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা, পারিবারিক তথ্য এবং প্রয়োজনীয় সহায়ক নথি যাচাই করতে পারে।

চট টগ র ম ফ রছ হলে সাধারণ আবেদনকারীর কী প্রভাব পড়তে পারে?

বিশেষ পুলিশি যাচাই চালু হলে আবেদন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ধাপ যোগ হতে পারে। তবে এর উদ্দেশ্য হবে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার ঠেকিয়ে পাসপোর্ট ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদার করা।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is চট টগ র ম ফ রছ ভ?

চট টগ র ম ফ রছ ভ is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does চট টগ র ম ফ রছ ভ matter?

চট টগ র ম ফ রছ ভ matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.