Banglajibon
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

আজ ভোর থেকে বেড়েছে গ্যাস সরবরাহ

Published Agustus 15, 2026 · Updated Agustus 15, 2026 · By Michael Williams - banglajibon.com

Foto : Michael Williams - banglajibon.com

আজ ভ র থ ক ব থেকে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি: এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু

Banglajibon.com – আজ ভ র থ ক ব ড় - আজ ভ র থ ক ব থেকে দেশে গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের দুটি ভাসমান টার্মিনাল—সামিট এবং এক্সিলারেট এনার্জি—এখন কার্যকরভাবে কাজ করছে। আজ ভ র থ ক ব সকাল থেকে সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ ক্ষমতায় এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ করছে। ফলে গত ত্রিশ দিন ধরে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়ার আশা দেখা দিয়েছে। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন বা পেট্রোবাংলার তত্ত্বাবধানে এলএনজি আমদানি কাজ পরিচালিত হয়। আমদানির দায়িত্বে রয়েছে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড বা আরপিজিসিএল। দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা জানান, আজ ভ র থ ক ব চারটায় সামিট টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান বলেন, "দুটো টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে এখন। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় আর এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক সরবরাহ করছে। সরবরাহ বাড়ার ফলে গ্রাহকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।"

এলএনজি টার্মিনালের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যা

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সর্বোচ্চ ক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট। অন্যদিকে, দেশি কোম্পানি সামিটের টার্মিনাল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। আজ ভ র থ ক ব থেকে উভয় টার্মিনাল থেকেই গ্যাস আসছে।

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যায় এবং সংকট তীব্র হয়। রান্নার চুলা থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে লোডশেডিং বেড়ে যায়। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি পড়ে।

এক্সিলারেটের টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে। প্রতিটি বয়লারের ক্ষমতা ৩০ কোটি ঘনফুট। আগুনে একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত বয়লার থেকে ৬ আগস্ট থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। গত শুক্রবার বিকেল চারটায় কারিগরি ত্রুটির কারণে হঠাৎ করে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি মেরামতের পর আবার সরবরাহ শুরু হয়েছে। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।

সরবরাহ বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করার জন্য টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় ৭২ ঘণ্টা পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ থাকবে। কবে এই কাজ শুরু হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। এখনো নির্দিষ্ট কোনো সময় ঠিক করা হয়নি।

এলএনজি না পাওয়ায় গত সোমবার সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমানো হয়। মঙ্গলবার এটি ২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ১০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে ভিটলের একটি জাহাজ বঙ্গোপসাগরে আসে। সন্ধ্যা সাতটায় সামিটের টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়। খালাসে আট ঘণ্টা সময় লাগে। এর আগে সন্ধ্যা ছয়টায় টার্মিনালের জমানো মজুত থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে সামিট। শুরুতে সাড়ে নয় কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। ভোররাতে এটি ৪৬ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়। আরও ৭-৮ কোটি ঘনফুট সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব।

সৌদি আরামকোর এলএনজি জাহাজটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত এলএনজি নেওয়ার জন্য যে জাহাজগুলো আসে, আরামকোর পাঠানো জাহাজটি তেমন ছিল না। জাহাজ থেকে জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের সামঞ্জস্য না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আরামকোর জাহাজ থেকে এলএনজি নেওয়া যায়নি। আরামকোর বদলে আরেকটি এলএনজি জাহাজ পাঠানো হবে।

গ্যাস সরবরাহের পরিসংখ্যান ও ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। ৩০০ কোটি ঘনফুট হলেও মোটামুটি সব খাতে সরবরাহ ধরে রাখা সম্ভব। স্বাভাবিক সময়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহ করে রেশনিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট। এক্সিলারেট বন্ধের আগে এই হারে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

গতকাল বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এখন এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে এখনো দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে সেই ঘাটতি পূরণ হতে পারে। আজ ভ র থ ক ব থেকে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী কয়েকদিনে পরিস্থিতি আরও উন্নত হতে পারে।

সারসংক্ষেপ: আজ ভ র থ ক ব থেকে দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। সামিট পূর্ণ ক্ষমতায় এবং এক্সিলারেট আংশিক ক্ষমতায় কাজ করছে। মোট সরবরাহ ২৪০ কোটি ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

আজ ভ র থ ক ব থেকে কতটুকু গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে? আজ ভ র থ ক ব থেকে সামিট টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। মোট সরবরাহ ২৪০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছে।

এক্সিলারেট টার্মিনাল কেন আংশিক ক্ষমতায় কাজ করছে? গত ২১ জুলাই এক্সিলারেটের টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অক্ষত বয়লার থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি কবে চালু হবে? আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করার জন্য ৭২ ঘণ্টা পুরোপুরি সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

গ্যাস সংকট কতদিন চলবে? এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে পুরোদমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলে এবং ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার চালু হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। এতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is আজ ভ র থ ক ব ড়?

আজ ভ র থ ক ব ড় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does আজ ভ র থ ক ব ড় matter?

আজ ভ র থ ক ব ড় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.